
অতিথি পুনর্বিবেচনাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৬০, ৬১ ও ৬২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের একাংশ। দাবি মানা না হলে আসন্ন দ্বাদশ সমাবর্তন বর্জনের ঘোষণা দেয় তারা। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘোষণা দেয়।
তাঁদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিথি পুনর্বিবেচনা, তারিখ পুনর্বিবেচনা ও রেজিস্ট্রেশনের সময় আবার উন্মুক্তকরণ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের (৬১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালের নভেম্বরে হওয়ার কথা থাকলেও হঠাৎ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে সমাবর্তন আয়োজনের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। আগামী ১৭ ডিসেম্বর সমাবর্তন করা হলে অনেক শিক্ষার্থী তাতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তা ছাড়া বর্তমানে অতিথি তালিকায় যাঁরা রয়েছেন তাতে আমরা অসন্তুষ্ট; কিন্তু কাউকে অসম্মান করতে চাই না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম-ঐতিহ্যের জায়গা থেকে আমরা চাই প্রয়োজন হলে নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানকে অতিথি করা হোক।’
রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা বাড়ানো প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনি। তাই রেজিস্ট্রেশন আবার উন্মুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি সমাবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া ফি কোন ব্যাংকে রাখা হয়েছিল, সেই অর্থ থেকে কত লভ্যাংশ পাওয়া গেছে এবং পুরো সমাবর্তনের বাজেট প্রকাশ করতে হবে।’ অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বয়ের ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের একার সিদ্ধান্ত নয়। আমরা আমাদের সমাবর্তন নিয়ে যে মেসেঞ্জার গ্রুপে সবার মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। প্রশাসন যদি আমাদের দাবি মেনে না নেয়, তাহলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।’
উল্লেখ্য, ১৭ ডিসেম্বর রাবির সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ ও সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ উপস্থিত থাকবেন বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী আমীর এজাজ খান। তিনি নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দীর চেয়ে ৫০ হাজার ৪৩৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
১৫ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম জেলার ১৬ আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির নুরুল আমিন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট। তার সাথে দাড়িঁপাল্লা প্রতীকে ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট নিয়ে হেরেছেন জামায়াত নেতা এডভোকেট মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সব কয়টিতেই জয়লাভ করেছে বিএনপি প্রার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৪২৮টি কেন্দ্রের ২ হাজার ৪৩৯টি কক্ষে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম থেকে ২৬ হাজার ৭৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে