বগুড়া প্রতিনিধি

কেউ এনেছেন বিশাল আকৃতির গরু, আবার কেউ এনেছেন বড় বড় আকারের বিভিন্ন প্রজাতির মুরগি। মহিষ, কুকুর, গাড়ল, ছাগল, ভেড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখিও এনেছেন অনেকে।
মেলা চত্বর পরিণত হয়েছে গৃহপালিত প্রাণীর বিশাল প্রদর্শনী। যদিও মেলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘উত্তরবঙ্গ গরুর মেলা’। উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলা থেকে ২০০ খামারি এসেছেন মেলায়। এর মধ্যে ১৫০টি স্টল রয়েছে গরুর।
বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) দুই দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে।
মেলা ঘুরে দেখা যায়, শৌখিন খামারিরা প্রাণীগুলোর যত্নআত্তি নিতে ব্যস্ত। মানুষ এসেছেন প্রাণীগুলোকে দেখতে। কেউ দরদাম করছেন, কেউ গরুর কিংবা মহিষের সঙ্গে সেলফি তুলছেন।
নাটোর থেকে বিপ্লব সরকার নামের একজন খামারি তাঁর ২০টি গরুর মধ্যে বড় আকারের তিনটি এনেছেন। তিনি বলেন, নতুন মেলা কেমন হবে, সেই অনিশ্চয়তা থেকে সব গরুর আনেননি। এসে দেখেশুনে মনে হচ্ছে, সব গরুই আনা দরকার ছিল।
সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছেন জাকারিয়া। তিনি ২০১৪ সাল থেকে গাড়ল পালন করেন। তবে এবারই প্রথম এসেছেন এ ধরনের মেলায়। মেলায় আটটি গাড়ল এনেছেন বিক্রির জন্য। তিনি বলেন, ‘বিক্রি না হলেও কষ্ট নেই। মেলার মাধ্যমে খামারের পরিচয় হয়েছে। অনেকেই যোগাযোগ করার জন্য ভিজিটিং কার্ড নিচ্ছেন।’
বগুড়া শহর থেকে সাত কিলোমিটার উত্তরে মম ইন বিনোদন জগতে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।
সিরাজগঞ্জের খামারি হাজি ফিরোজ বেশ কয়েকটি গরু প্রদর্শনের জন্য এনেছেন মেলায়। এর মধ্যে ব্রাহমা ক্রস জাতের একটি গরুর দাম চাচ্ছেন ১৮ লাখ টাকা। শখ করে এই গরুটিকে তিনি ডাকেন ‘মৌসুমি’ বলে। ১৭ লাখ টাকা হলে বিক্রি করতে চান শখের মৌসুমিকে।
চানাচুর বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে খামারে বড় করা আরেকটি গরুর নাম দিয়েছেন চানাচুর। সেই চানাচুরের দাম হাঁকাচ্ছেন ২২ লাখ টাকা।
এ ছাড়া মেলায় দেখা গেছে ইন্দোনেশিয়ার নিরিলাভি জাতের মহিষ। সাদা রঙের এই মহিষ ঠাকুরগাঁও থেকে এনেছেন ফজলে এলাহী। সঙ্গে এনেছেন পাখরা জাতের মহিষ।
নেপালি খর্বাকৃতির গরুরও দেখা মিলেছে এই মেলায়।
নওগাঁ থেকে আসা খামারি নয়ন একটি কুকুরের দাম হাঁকিয়েছেন ৮ লাখ টাকা। কুকুরটি দেখতে ভিড় লেগে গেছে। নয়ন বলেন, দুই মাস বয়সী কুকুরটি কিনেছিলেন ৫০ হাজার টাকায়। দুটি কুকুর এনেছেন প্রদর্শনীর জন্য।
বগুড়ার গাবতলী থেকে আপন মেলায় প্রদর্শনীর জন্য এনেছেন ১৫টি বিরল প্রজাতির মুরগি। এর মধ্যে রয়েছে সিল্কি, ব্রাহমা, কোচিন, বেনতাম, ফ্রিজেল, ফোনিক্স, ইয়োকোহামা, অনাগাদুরি, ফাইটার, পলিশকেপ, সেব্রাইট, শো-শেরেমা, হোয়াইট ফেস, রোসকম্প ও সুমাত্রা। মুরগিগুলো নিয়মিত ডিম দেয়। তিনি ম্যাকাও পাখিও এনেছেন। দাম চাচ্ছেন প্রতিটি আট লাখ টাকা।
এত বড় আয়োজনে গরুর মেলা কখনো বগুড়ায় হয়নি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খামারিরা এসেছেন। উত্তরবঙ্গ গরু মেলার প্রধান সমন্বয়ক তৌহিদ পারভেজ বিপ্লব বলেন, ‘এমন মেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে গরু লালন-পালনে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব। পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে বৃহৎ খামারি ও গরু ব্যবসায়ীদের সংযোগ স্থাপনে এই মেলা ভূমিকা রাখবে।’

কেউ এনেছেন বিশাল আকৃতির গরু, আবার কেউ এনেছেন বড় বড় আকারের বিভিন্ন প্রজাতির মুরগি। মহিষ, কুকুর, গাড়ল, ছাগল, ভেড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখিও এনেছেন অনেকে।
মেলা চত্বর পরিণত হয়েছে গৃহপালিত প্রাণীর বিশাল প্রদর্শনী। যদিও মেলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘উত্তরবঙ্গ গরুর মেলা’। উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলা থেকে ২০০ খামারি এসেছেন মেলায়। এর মধ্যে ১৫০টি স্টল রয়েছে গরুর।
বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) দুই দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে।
মেলা ঘুরে দেখা যায়, শৌখিন খামারিরা প্রাণীগুলোর যত্নআত্তি নিতে ব্যস্ত। মানুষ এসেছেন প্রাণীগুলোকে দেখতে। কেউ দরদাম করছেন, কেউ গরুর কিংবা মহিষের সঙ্গে সেলফি তুলছেন।
নাটোর থেকে বিপ্লব সরকার নামের একজন খামারি তাঁর ২০টি গরুর মধ্যে বড় আকারের তিনটি এনেছেন। তিনি বলেন, নতুন মেলা কেমন হবে, সেই অনিশ্চয়তা থেকে সব গরুর আনেননি। এসে দেখেশুনে মনে হচ্ছে, সব গরুই আনা দরকার ছিল।
সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছেন জাকারিয়া। তিনি ২০১৪ সাল থেকে গাড়ল পালন করেন। তবে এবারই প্রথম এসেছেন এ ধরনের মেলায়। মেলায় আটটি গাড়ল এনেছেন বিক্রির জন্য। তিনি বলেন, ‘বিক্রি না হলেও কষ্ট নেই। মেলার মাধ্যমে খামারের পরিচয় হয়েছে। অনেকেই যোগাযোগ করার জন্য ভিজিটিং কার্ড নিচ্ছেন।’
বগুড়া শহর থেকে সাত কিলোমিটার উত্তরে মম ইন বিনোদন জগতে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।
সিরাজগঞ্জের খামারি হাজি ফিরোজ বেশ কয়েকটি গরু প্রদর্শনের জন্য এনেছেন মেলায়। এর মধ্যে ব্রাহমা ক্রস জাতের একটি গরুর দাম চাচ্ছেন ১৮ লাখ টাকা। শখ করে এই গরুটিকে তিনি ডাকেন ‘মৌসুমি’ বলে। ১৭ লাখ টাকা হলে বিক্রি করতে চান শখের মৌসুমিকে।
চানাচুর বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে খামারে বড় করা আরেকটি গরুর নাম দিয়েছেন চানাচুর। সেই চানাচুরের দাম হাঁকাচ্ছেন ২২ লাখ টাকা।
এ ছাড়া মেলায় দেখা গেছে ইন্দোনেশিয়ার নিরিলাভি জাতের মহিষ। সাদা রঙের এই মহিষ ঠাকুরগাঁও থেকে এনেছেন ফজলে এলাহী। সঙ্গে এনেছেন পাখরা জাতের মহিষ।
নেপালি খর্বাকৃতির গরুরও দেখা মিলেছে এই মেলায়।
নওগাঁ থেকে আসা খামারি নয়ন একটি কুকুরের দাম হাঁকিয়েছেন ৮ লাখ টাকা। কুকুরটি দেখতে ভিড় লেগে গেছে। নয়ন বলেন, দুই মাস বয়সী কুকুরটি কিনেছিলেন ৫০ হাজার টাকায়। দুটি কুকুর এনেছেন প্রদর্শনীর জন্য।
বগুড়ার গাবতলী থেকে আপন মেলায় প্রদর্শনীর জন্য এনেছেন ১৫টি বিরল প্রজাতির মুরগি। এর মধ্যে রয়েছে সিল্কি, ব্রাহমা, কোচিন, বেনতাম, ফ্রিজেল, ফোনিক্স, ইয়োকোহামা, অনাগাদুরি, ফাইটার, পলিশকেপ, সেব্রাইট, শো-শেরেমা, হোয়াইট ফেস, রোসকম্প ও সুমাত্রা। মুরগিগুলো নিয়মিত ডিম দেয়। তিনি ম্যাকাও পাখিও এনেছেন। দাম চাচ্ছেন প্রতিটি আট লাখ টাকা।
এত বড় আয়োজনে গরুর মেলা কখনো বগুড়ায় হয়নি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খামারিরা এসেছেন। উত্তরবঙ্গ গরু মেলার প্রধান সমন্বয়ক তৌহিদ পারভেজ বিপ্লব বলেন, ‘এমন মেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে গরু লালন-পালনে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব। পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে বৃহৎ খামারি ও গরু ব্যবসায়ীদের সংযোগ স্থাপনে এই মেলা ভূমিকা রাখবে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
২৫ মিনিট আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১০ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১০ ঘণ্টা আগে