
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে উৎপাদিত নিজস্ব ঘাসই এখানকার গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারের উৎপাদনশীলতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করা যায়...

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শত শত পরিবার গবাদিপশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন খামারিরা। তাঁদের অভিযোগ, গোখাদ্য, ওষুধ, শ্রমিকের মজুরি সব কিছুর দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ দুধের দাম প্রায় আগের জায়গাতেই আটকে আছে।

‘উন্নত দেশগুলোতে মহিষের দুধ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। আমাদের দেশের চরাঞ্চলে তুলনামূলকভাবে কৃষিকাজ কম হয়। সেখানে লবণাক্ত মাটির উপযোগী লবণ-সহিষ্ণু ঘাসের চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে মহিষ পালন বিকাশের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে ভবিষ্যতে কৃষিজমির ওপর চাপ বৃদ্ধি পাবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে গবাদিপশুর শরীরে ‘স্ক্রুওয়ার্ম’ নামক একধরনের মাংসখেকো পরজীবীর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এরপরই টেক্সাস থেকে সব ধরনের গবাদিপশু আমদানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কানাডা...