বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি

বদলগাছীতে এলজিইডির গ্রামীণ সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বেপরোয়াভাবে ইটভাটার মাটি ও ইট বহনকারী অবৈধ ট্রাক্টর চলাচলের কারণে সড়কগুলোতে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবছরই ইট তৈরির মৌসুমে কয়েক মাস ধরে একই সড়ক দিয়ে বেপরোয়াভাবে মাটি বহনকারী অবৈধ ট্রাক্টর চলাচল করে। এতে সড়কগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
জানা যায়, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার প্রায় সকল গ্রামীণ সড়কগুলো খানাখন্দে ভরপুর। কিন্তু সেদিকে প্রশাসন কোনো নজর না দেওয়ায় মেরামতের কিছুদিন পরই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, বেপরোয়াভাবে অবৈধ ট্রাক্টর চলাচলের কারণে ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা।
বিভিন্ন গ্রামের জনসাধারণের চলাচলের জন্য উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের পাকা সড়কগুলোর একই অবস্থা। গ্রামীণ সড়কগুলোতে সরকারিভাবে ধারণ ক্ষমতা ১৫ টনের বেশি মালবোঝাই পরিবহন চলাচল করা নিষেধ থাকলেও কেউ তা মানছেন না। একই সড়ক দিয়ে সব সময় অবৈধ ট্রাক্টর মাটি ও ইট পরিবহন করায় জনসাধারণের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোলা ইউপির কোলা বাজার থেকে হুদাইকুরি হয়ে পারসোমবাড়ী বাজার পর্যন্ত প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে ছোটবড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই পাকা সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে যায়। উপজেলার প্রায় সব সড়কগুলোর এখন একই অবস্থা।
বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কানিজ ফারহানা বলেন, ধুলোবালিযুক্ত সড়কে চলাচল করায় শিশুরা নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সড়কগুলোতে ১৫ টনের বেশি লোড দেওয়া নিষেধ থাকলেও কেউ তা মানছেন না। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৭-৮ গ্রামীণ সড়কগুলো মেরামতের জন্য বরাদ্দ এসেছে। কাজ শুরু করা হবে।

বদলগাছীতে এলজিইডির গ্রামীণ সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বেপরোয়াভাবে ইটভাটার মাটি ও ইট বহনকারী অবৈধ ট্রাক্টর চলাচলের কারণে সড়কগুলোতে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবছরই ইট তৈরির মৌসুমে কয়েক মাস ধরে একই সড়ক দিয়ে বেপরোয়াভাবে মাটি বহনকারী অবৈধ ট্রাক্টর চলাচল করে। এতে সড়কগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
জানা যায়, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার প্রায় সকল গ্রামীণ সড়কগুলো খানাখন্দে ভরপুর। কিন্তু সেদিকে প্রশাসন কোনো নজর না দেওয়ায় মেরামতের কিছুদিন পরই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, বেপরোয়াভাবে অবৈধ ট্রাক্টর চলাচলের কারণে ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা।
বিভিন্ন গ্রামের জনসাধারণের চলাচলের জন্য উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের পাকা সড়কগুলোর একই অবস্থা। গ্রামীণ সড়কগুলোতে সরকারিভাবে ধারণ ক্ষমতা ১৫ টনের বেশি মালবোঝাই পরিবহন চলাচল করা নিষেধ থাকলেও কেউ তা মানছেন না। একই সড়ক দিয়ে সব সময় অবৈধ ট্রাক্টর মাটি ও ইট পরিবহন করায় জনসাধারণের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোলা ইউপির কোলা বাজার থেকে হুদাইকুরি হয়ে পারসোমবাড়ী বাজার পর্যন্ত প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে ছোটবড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই পাকা সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে যায়। উপজেলার প্রায় সব সড়কগুলোর এখন একই অবস্থা।
বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কানিজ ফারহানা বলেন, ধুলোবালিযুক্ত সড়কে চলাচল করায় শিশুরা নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সড়কগুলোতে ১৫ টনের বেশি লোড দেওয়া নিষেধ থাকলেও কেউ তা মানছেন না। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৭-৮ গ্রামীণ সড়কগুলো মেরামতের জন্য বরাদ্দ এসেছে। কাজ শুরু করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে