রাজশাহীর বাঘায় ইসরাত জাহান সুমি (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে লাশ উদ্ধার করা হয়।
মৃত সুমি বাঘা পৌরসভার পাকুড়িয়ার বেলালের মোড় এলাকায় জহুরুল ইসলামের মেয়ে। সে শাহদৌলা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
জানা গেছে, আজ সকাল ৮টায় সুমির বাবা মেয়ের ঘরে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পাননি। সুমির বড় ভাই ইমদাদুল ইসলাম স্থানীয় কিছু লোকজনের সহায়তায় ঘরের জানালা ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। পরে ভেতরে গিয়ে লাশ নিচে নামিয়ে পুলিশকে খবর দেন।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান জানান, একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ছাত্রীর লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে