Ajker Patrika

দুই জেলায় অপারেশন ফার্স্ট লাইট, গ্রেপ্তার ৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ২২
দুই জেলায় অপারেশন ফার্স্ট লাইট, গ্রেপ্তার ৭২
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী, নাটোরের নলডাঙ্গা ও সিংড়া উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।

রাজশাহী অঞ্চলের অপরাধীদের ধরতে ৯ নভেম্বর থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’। প্রথম দিন রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়ার চরাঞ্চলের বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। ২১ নভেম্বর নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের অপরাধীদের ধরতে এ অভিযান চালানো হয়।

ডিআইজি জানিয়েছেন, তৃতীয় ধাপে নাটোর ও পাবনায় অভিযান চালিয়ে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিআইজি জানান, অভিযানে দুজন সর্বহারা সদস্য, ডাকাত দলের একজন সদস্য, অস্ত্রধারীর সহযোগী ও নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে ২০ জন, মাদক মামলার চারজন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ২৩ জন এবং ফ্যাসিস্ট বা সন্দেহভাজন হিসেবে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানে একটি বিদেশি অস্ত্র, তিনটি দেশীয় অস্ত্র, এক কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা ও সাতটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে আটটি বিচারাধীন মামলার আসামি ডাকাত দলের সদস্য শহিদুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাটোরের সিংড়া উপজেলার নিঙ্গইন ভাটোপাড়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। তাঁকে অনেক দিন ধরেই পুলিশ খুঁজছিল।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়াগড়ি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেখানে পিস্তল হাতে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তিকে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, এই ব্যক্তিকে ধরতে তাঁর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দুটি দলের কেউই নিজেদের লোক বলে স্বীকার করছে না।

ডিআইজি বলেন, নির্বাচনের আগে এ ধরনের অনেক মানুষ থাকে যারা ভাড়ায় খাটে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে এ ধরনের লোকদের আইনের আওতায় আনতে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এ অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করেছেন। রাজশাহী রেঞ্জের দুজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পুলিশ সুপার (এসপি), নাটোর ও পাবনার এসপি, সার্কেল অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) মাঠপর্যায়ে অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে জেলা পুলিশের সদস্যরা ছাড়াও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা অংশ নেন বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

প্রাথমিকেও চালু হচ্ছে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস

বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত

২০২৬ সালের ঈদুল আজহা কবে, যা জানা গেল

কিশোরগঞ্জে যুবদল নেতার হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

‘ওকে লাথি মেরে বের করে দিন’—নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুদ্ধে পাঠাতে বললেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত