আবুল কাশেম, সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পেঁয়াজ চাষের জন্য আলাদা পরিচিতি আছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার। এখানকার হাট-বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজ গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতি মণ ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫ শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাইকারি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের এই ভরা মৌসুমে এমন দাম অনেকটাই অস্বাভাবিক। আর এই অস্বাভাবিক দামের কারণে মাঝে মধ্যেই রাতের অন্ধকারে খেত থেকে চুরি হচ্ছে পেঁয়াজ।
চুরি ঠেকাতে রাত জেগে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন সাঁথিয়া উপজেলার কৃষকেরা। কোনো কোনো পেঁয়াজ চাষি আবার চোরের ভয়ে পরিপক্ব হওয়ার আগেই খেত থেকে পেঁয়াজ তুলে বিক্রি করছেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়া উপজেলায় এবার প্রায় ১৭ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে আগাম বা মুড়িকাটা জাতের পেঁয়াজ। বাকি সাড়ে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে হালি জাতের পেঁয়াজ আবাদ করা হয়েছে।
কয়েকটি গ্রাম ঘুরে জানা যায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নাগডেমড়া ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের হোসেন, হাঁড়িয়া গ্রামের মঞ্জুর খেত থেকে পেঁয়াজ চুরি হয়েছে। সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া গ্রামের এক সপ্তাহে হাবুল মানিক মন্টু, ইমদাদুল হকসহ প্রায় ১০-১১ জন কৃষকের পেঁয়াজ খেত থেকে ২২ থেকে ২৫ মণ পেঁয়াজ চুরি হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে আফড়া গ্রামের খেতে গিয়ে দেখা যায় পেঁয়াজ পাহারার জন্য খেতের পাশে কুঁড়ে ঘর তুলেছেন কৃষক। খানিকটা দূরে দূরে এ রকম ঘর তুলে তিন-চার জন করে বসে আড্ডা দিয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন পেঁয়াজ।
কৃষকেরা জানান, মুড়িকাটা পেঁয়াজ খেতের সব পেঁয়াজই বেশ বড় হয়েছে। এ পেঁয়াজ তুলতে সময় লাগে না। একজন আধঘণ্টা সময় পেঁয়াজ তুললে এক থেকে দেড় মণ পেঁয়াজ তুলতে পারে। তাই সুযোগ মতো দুই-তিনজন চোর এসে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই দুই-তিন মণ পেঁয়াজ তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া গ্রামের পেঁয়াজচাষি খালেক ব্যাপারী বলেন, ‘এবার পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। তা ছাড়া দামও খুব ভালো পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে খেতে চোরের উৎপাত খুব বাড়ছে। সাঁথিয়ার অনেক গ্রামের কৃষকেরা মুড়িকাটা পেঁয়াজ আগে লাগায় তাই তারা আগে বিক্রি করেছে। এখন আমাদের এলাকায় পেঁয়াজ উঠতে শুরু হয়েছে। একে তো চোরের ভয়, তা ছাড়া দামও ভালো। তাই পুরোপুরি পাকার আগেই জমির সব পেঁয়াজ তুলে নেওয়া হচ্ছে।’
সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জিব কুমার গোস্বামী বলেন, পেঁয়াজের এই ভরা মৌসুমে কৃষকেরা ভালো দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। দামের কারণেই কোনো কোনো জায়গায় খেত থেকে পেঁয়াজ চুরি হচ্ছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও থানায় জানানো হবে।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বর্তমান বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় এলাকার পেঁয়াজ খেতে রাতে সঙ্গবদ্ধ চোররা চুরি করছে খবর পেয়েছি। তবে কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। চুরি বন্ধ করতে এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বরের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে কৃষকদের রাতে দল বেঁধে পাহারা দিতে বলা হচ্ছে। আমরা আপনাদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

পেঁয়াজ চাষের জন্য আলাদা পরিচিতি আছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার। এখানকার হাট-বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজ গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতি মণ ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫ শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাইকারি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের এই ভরা মৌসুমে এমন দাম অনেকটাই অস্বাভাবিক। আর এই অস্বাভাবিক দামের কারণে মাঝে মধ্যেই রাতের অন্ধকারে খেত থেকে চুরি হচ্ছে পেঁয়াজ।
চুরি ঠেকাতে রাত জেগে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন সাঁথিয়া উপজেলার কৃষকেরা। কোনো কোনো পেঁয়াজ চাষি আবার চোরের ভয়ে পরিপক্ব হওয়ার আগেই খেত থেকে পেঁয়াজ তুলে বিক্রি করছেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়া উপজেলায় এবার প্রায় ১৭ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে আগাম বা মুড়িকাটা জাতের পেঁয়াজ। বাকি সাড়ে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে হালি জাতের পেঁয়াজ আবাদ করা হয়েছে।
কয়েকটি গ্রাম ঘুরে জানা যায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নাগডেমড়া ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের হোসেন, হাঁড়িয়া গ্রামের মঞ্জুর খেত থেকে পেঁয়াজ চুরি হয়েছে। সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া গ্রামের এক সপ্তাহে হাবুল মানিক মন্টু, ইমদাদুল হকসহ প্রায় ১০-১১ জন কৃষকের পেঁয়াজ খেত থেকে ২২ থেকে ২৫ মণ পেঁয়াজ চুরি হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে আফড়া গ্রামের খেতে গিয়ে দেখা যায় পেঁয়াজ পাহারার জন্য খেতের পাশে কুঁড়ে ঘর তুলেছেন কৃষক। খানিকটা দূরে দূরে এ রকম ঘর তুলে তিন-চার জন করে বসে আড্ডা দিয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন পেঁয়াজ।
কৃষকেরা জানান, মুড়িকাটা পেঁয়াজ খেতের সব পেঁয়াজই বেশ বড় হয়েছে। এ পেঁয়াজ তুলতে সময় লাগে না। একজন আধঘণ্টা সময় পেঁয়াজ তুললে এক থেকে দেড় মণ পেঁয়াজ তুলতে পারে। তাই সুযোগ মতো দুই-তিনজন চোর এসে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই দুই-তিন মণ পেঁয়াজ তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া গ্রামের পেঁয়াজচাষি খালেক ব্যাপারী বলেন, ‘এবার পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। তা ছাড়া দামও খুব ভালো পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে খেতে চোরের উৎপাত খুব বাড়ছে। সাঁথিয়ার অনেক গ্রামের কৃষকেরা মুড়িকাটা পেঁয়াজ আগে লাগায় তাই তারা আগে বিক্রি করেছে। এখন আমাদের এলাকায় পেঁয়াজ উঠতে শুরু হয়েছে। একে তো চোরের ভয়, তা ছাড়া দামও ভালো। তাই পুরোপুরি পাকার আগেই জমির সব পেঁয়াজ তুলে নেওয়া হচ্ছে।’
সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জিব কুমার গোস্বামী বলেন, পেঁয়াজের এই ভরা মৌসুমে কৃষকেরা ভালো দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। দামের কারণেই কোনো কোনো জায়গায় খেত থেকে পেঁয়াজ চুরি হচ্ছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও থানায় জানানো হবে।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বর্তমান বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় এলাকার পেঁয়াজ খেতে রাতে সঙ্গবদ্ধ চোররা চুরি করছে খবর পেয়েছি। তবে কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। চুরি বন্ধ করতে এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বরের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে কৃষকদের রাতে দল বেঁধে পাহারা দিতে বলা হচ্ছে। আমরা আপনাদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
২৬ মিনিট আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে