
সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছান।
দূতাবাসের এক বিবৃতিতে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমি ও আমার স্ত্রী এমন একটি দেশে ফিরে আসতে পেরে দারুণ আনন্দিত, যে দেশটি আমাদের কাছে বহু সুখস্মৃতির অধিকারী।’
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারা আমার জন্য গর্বের বিষয়। এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে আমাদের দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা করছি।’
কূটনীতিক হিসেবে ক্রিস্টেনসেনের বাংলাদেশে আসাটা এবারই প্রথম নয়। চার বছর আগে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকবিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি।
গত সেপ্টেম্বরে ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে ‘অ্যাম্বাসেডর এক্সট্রাঅর্ডিনারি অ্যান্ড প্লেনিপটেনশিয়ারি’ হিসেবে মনোনয়ন দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর গত মাসে মার্কিন সিনেটের অনুমোদন পান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকা মিশনে পিটার হাসের উত্তরসূরি হলেন। তিনি ঢাকায় ১৯তম মার্কিন দূত। এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকবিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্রিস্টেনসেন।
পিটার হাস ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের অষ্টাদশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে অবসরে যান হাস। তাঁর অবর্তমানে এত দিন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
নতুন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন ২০২২ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিরোধ মিশনের আন্তর্জাতিক প্রভাব নিয়ে পরামর্শ দিতেন।
দুই দশকের বেশি সময়ের কূটনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ওয়াশিংটন ও বিদেশে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের একমাত্র অঙ্গীকার ছিল আইন প্রয়োগে নিরপেক্ষ থাকা এবং একটি স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দেওয়া। সেই লক্ষ্যেই আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কোথাও কোনো ত্রুটি হয়ে থাকলে তা অনিচ্ছাকৃত।
১৬ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল জয়ের জন্য বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে পাকিস্তান। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পৃথক বার্তায় অভিনন্দন জানান।
২ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছেন, এই বিজয় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সফলতার জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন এবং ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
৪ ঘণ্টা আগে