রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রীর পোশাক নিয়ে কটূক্তি এবং এর প্রতিবাদ করায় দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন সহপাঠীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের প্যারিস রোডে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। তাঁরা এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে মামলা করার এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তা না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘২৪-এর বাংলায়, পার্ভার্ট তোর ঠাঁই নাই’, ‘আসামি যদি নাই ধরো, তবে হাতে অস্ত্র কেন’, ‘কাল তোমার বোন হলে, আসামি ধরবা কিসের বলে?’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।

গতকাল বুধবার ক্যাম্পাস থেকে পাশের কাজলা গেট এলাকায় যাওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর পোশাক নিয়ে তন্ময় নামের একজন ও তাঁর সহযোগীরা কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তখন দুই শিক্ষার্থী এর প্রতিবাদ জানালে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা তাঁদের মারধর করেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের সহায়তায় আহত দুজনকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়। তাঁরা হলেন ইংরেজি বিভাগের ফারহান মাহমুদ এবং একই বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাবাসসুম নওশীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকগুলোর সামনেই আমার বোনের সঙ্গে এমন অসভ্য আচরণ করা হলে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা কোথায় নিরাপদ? আমাদের যদি নিরাপত্তা না দিতে পারে, তাহলে এই প্রশাসন কেন? আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি এবং নারী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানের দাবি জানাচ্ছি।’
একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সাফিন আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে কোথাও নিরাপত্তা দিতে পারেনি, কিন্তু এ দায়িত্ব তাদের ওপরেই ছিল। আমরা প্রশাসনের কাছে দুটি দাবি নিয়ে এসেছি। প্রথমত, অনতিবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে মামলা করতে হবে। যদি আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হয়, তাহলে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রীর পোশাক নিয়ে কটূক্তি এবং এর প্রতিবাদ করায় দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন সহপাঠীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের প্যারিস রোডে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। তাঁরা এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে মামলা করার এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তা না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘২৪-এর বাংলায়, পার্ভার্ট তোর ঠাঁই নাই’, ‘আসামি যদি নাই ধরো, তবে হাতে অস্ত্র কেন’, ‘কাল তোমার বোন হলে, আসামি ধরবা কিসের বলে?’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।

গতকাল বুধবার ক্যাম্পাস থেকে পাশের কাজলা গেট এলাকায় যাওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর পোশাক নিয়ে তন্ময় নামের একজন ও তাঁর সহযোগীরা কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তখন দুই শিক্ষার্থী এর প্রতিবাদ জানালে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা তাঁদের মারধর করেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের সহায়তায় আহত দুজনকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়। তাঁরা হলেন ইংরেজি বিভাগের ফারহান মাহমুদ এবং একই বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাবাসসুম নওশীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকগুলোর সামনেই আমার বোনের সঙ্গে এমন অসভ্য আচরণ করা হলে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা কোথায় নিরাপদ? আমাদের যদি নিরাপত্তা না দিতে পারে, তাহলে এই প্রশাসন কেন? আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি এবং নারী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানের দাবি জানাচ্ছি।’
একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সাফিন আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে কোথাও নিরাপত্তা দিতে পারেনি, কিন্তু এ দায়িত্ব তাদের ওপরেই ছিল। আমরা প্রশাসনের কাছে দুটি দাবি নিয়ে এসেছি। প্রথমত, অনতিবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে মামলা করতে হবে। যদি আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হয়, তাহলে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।’

কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
৪ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
৬ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
১০ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে