নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধ্যাপক তাহের আহমেদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের জন্য কারাগারে গিয়েছেন স্বজনেরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সদস্যরা রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।
দুপুরে কারাগারের সামনে ফাঁসির আসামি জাহাঙ্গীরের বড় ভাই মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত রোববারই তাঁদের চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের জন্য ডাকা হয়েছে। রিট খারিজের পর আজ তাঁরা দেখা করতে এসেছেন। তাঁদের সবার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নেওয়া হয়েছে।
এখন তাঁরা সাক্ষাতের জন্য জেলগেটের বাইরে অপেক্ষা করছেন। ডাক পড়লে ভেতরে গিয়ে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে আজ সকালে ড. তাহের হত্যা মামলায় চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি জাহাঙ্গীরের ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
এদিকে কারাগারের ভেতরে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বৈঠক। কারা সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় যে কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা, তাঁরা এ বৈঠকে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার আব্দুল জলিল কোনো কথা বলতে রাজি হননি। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ একটি সভায় আছেন জানিয়ে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। আপাতত কিছু জানাতে পারছি না।’
রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ মো. ফারুক বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। বিষয়টি নিয়ে তিনি কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেই কথা বলার পরামর্শ দেন।
২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন অধ্যাপক তাহের আহমেদ। ২ ফেব্রুয়ারি তাঁর লাশ বাসার পেছনের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয়। এই হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুতবিচার আদালতের বিচারক চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন।
পরে দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল বিভাগ মিয়া মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের রায় বহাল রাখলেও আসামি নাজমুল আলম ও তাঁর স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেন।
তবে আপিলে সাজা কমে যাবজ্জীবন পাওয়া দুই আসামির দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায়ই বহাল রাখেন। ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির প্রাণভিক্ষার আবেদনও নাকচ করেছেন রাষ্ট্রপতি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধ্যাপক তাহের আহমেদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের জন্য কারাগারে গিয়েছেন স্বজনেরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সদস্যরা রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।
দুপুরে কারাগারের সামনে ফাঁসির আসামি জাহাঙ্গীরের বড় ভাই মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত রোববারই তাঁদের চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের জন্য ডাকা হয়েছে। রিট খারিজের পর আজ তাঁরা দেখা করতে এসেছেন। তাঁদের সবার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নেওয়া হয়েছে।
এখন তাঁরা সাক্ষাতের জন্য জেলগেটের বাইরে অপেক্ষা করছেন। ডাক পড়লে ভেতরে গিয়ে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে আজ সকালে ড. তাহের হত্যা মামলায় চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি জাহাঙ্গীরের ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
এদিকে কারাগারের ভেতরে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বৈঠক। কারা সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় যে কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা, তাঁরা এ বৈঠকে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার আব্দুল জলিল কোনো কথা বলতে রাজি হননি। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ একটি সভায় আছেন জানিয়ে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। আপাতত কিছু জানাতে পারছি না।’
রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ মো. ফারুক বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। বিষয়টি নিয়ে তিনি কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেই কথা বলার পরামর্শ দেন।
২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন অধ্যাপক তাহের আহমেদ। ২ ফেব্রুয়ারি তাঁর লাশ বাসার পেছনের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয়। এই হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুতবিচার আদালতের বিচারক চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন।
পরে দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল বিভাগ মিয়া মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের রায় বহাল রাখলেও আসামি নাজমুল আলম ও তাঁর স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেন।
তবে আপিলে সাজা কমে যাবজ্জীবন পাওয়া দুই আসামির দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায়ই বহাল রাখেন। ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির প্রাণভিক্ষার আবেদনও নাকচ করেছেন রাষ্ট্রপতি।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৯ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৯ ঘণ্টা আগে