পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরে মামলার কারণে আতঙ্কে ঘরছাড়া জেলা বিএনপি ও উপজেলা বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা। জেলার সাতটি উপজেলার প্রায় সব উপজেলাতেই বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা ও বিস্ফোরক আইনে মামলার কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
জানা যায়, নাজিরপুর, ইন্দুরকানী, কাউখালী, ভান্ডারিয়া, মঠবাড়িয়ার পরে সর্বশেষ পিরোজপুর জেলা বিএনপির ও এর সহযোগী সংগঠনের দেড় শতাধিক নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা দেওয়ায় তাঁরা পলাতক রয়েছেন। ভয় আর আতঙ্কে এসব নেতা-কর্মী ঘর ছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ। গত শনিবার বিএনপির শান্তিপূর্ণ গণমিছিলকে টার্গেট করে ছাত্রলীগ হামলা চালায়। নেতা-কর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। আহত নেতা-কর্মীদের হাসপাতালে নিলে সেখান থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ। শুধু সদর উপজেলা নয়, সব উপজেলাতেই একই চিত্র। জেলার প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মীদের নামে মামলা হয়েছে। সবাই এখন ঘর ছেড়ে পলাতক রয়েছেন, কেউবা জেলে রয়েছেন। মামলা হামলা বন্ধ করা উচিত।
জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কুমার জানান, ছাত্রলীগ পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ছাত্রদল ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপরে হামলা করে। পরে ছাত্রলীগই বাদী হয়ে ছাত্রদল ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা দেয়।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহামুদ সজল জানান, ছাত্রদল ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা একত্রিত হয়ে হামলার পরিকল্পনা করছিল। তখন পাশ দিয়ে ছাত্রলীগ মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তারা ইটপাটকেল ছুড়ে হামলা চালায়। আটজন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিক জানান, শহরকে অচল করে দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াত নাশকতার চেষ্টা করছিল। ছাত্রলীগের মিছিলে হামলা চালায় পরে ছাত্রলীগ তার প্রতিবাদ করলে এতে কয়েকজন আহত হন।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান জানান, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের কয়েকজন আহত হলে ছাত্রলীগ বাদী হয়ে একটি মামলা করে।

পিরোজপুরে মামলার কারণে আতঙ্কে ঘরছাড়া জেলা বিএনপি ও উপজেলা বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা। জেলার সাতটি উপজেলার প্রায় সব উপজেলাতেই বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা ও বিস্ফোরক আইনে মামলার কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
জানা যায়, নাজিরপুর, ইন্দুরকানী, কাউখালী, ভান্ডারিয়া, মঠবাড়িয়ার পরে সর্বশেষ পিরোজপুর জেলা বিএনপির ও এর সহযোগী সংগঠনের দেড় শতাধিক নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা দেওয়ায় তাঁরা পলাতক রয়েছেন। ভয় আর আতঙ্কে এসব নেতা-কর্মী ঘর ছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ। গত শনিবার বিএনপির শান্তিপূর্ণ গণমিছিলকে টার্গেট করে ছাত্রলীগ হামলা চালায়। নেতা-কর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। আহত নেতা-কর্মীদের হাসপাতালে নিলে সেখান থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ। শুধু সদর উপজেলা নয়, সব উপজেলাতেই একই চিত্র। জেলার প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মীদের নামে মামলা হয়েছে। সবাই এখন ঘর ছেড়ে পলাতক রয়েছেন, কেউবা জেলে রয়েছেন। মামলা হামলা বন্ধ করা উচিত।
জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কুমার জানান, ছাত্রলীগ পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ছাত্রদল ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপরে হামলা করে। পরে ছাত্রলীগই বাদী হয়ে ছাত্রদল ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা দেয়।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহামুদ সজল জানান, ছাত্রদল ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা একত্রিত হয়ে হামলার পরিকল্পনা করছিল। তখন পাশ দিয়ে ছাত্রলীগ মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তারা ইটপাটকেল ছুড়ে হামলা চালায়। আটজন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিক জানান, শহরকে অচল করে দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াত নাশকতার চেষ্টা করছিল। ছাত্রলীগের মিছিলে হামলা চালায় পরে ছাত্রলীগ তার প্রতিবাদ করলে এতে কয়েকজন আহত হন।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান জানান, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের কয়েকজন আহত হলে ছাত্রলীগ বাদী হয়ে একটি মামলা করে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে