পিরোজপুর প্রতিনিধি

বিয়ের ২০ দিনের মাথায় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে গলা কেটে হত্যা করেছে বাদল খান (৪৫) নামের এক যুবক। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের দাওয়া গ্রামের খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বাদল খান দাওয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আজিজ খানের ছেলে। তিনি পেশায় চা বিক্রেতা। আর নিহত ব্যক্তিরা হলেন বাদলের স্ত্রী চম্পা বেগম (৩২) ও শাশুড়ি বিলকিস বেগম (৫০)। তাঁরা একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ধাওয়া বাজারে বাদল খানের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। বাদল খান ২০ দিন আগে চতুর্থ বিয়ে করেন চম্পা বেগমকে। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই সন্তান রয়েছে।
গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে বাদল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে ঘরের মধ্যে স্ত্রী চম্পা ও শাশুড়ি বিলকিসকে হত্যা করেন। এ সময় ঘরে থাকা বাদলের আগের ঘরের শিশুসন্তান ঘর থেকে পালিয়ে পাশের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানায়।
বাদল দুজনকে হত্যার পরে ঘরে আগুন দেওয়ার চেষ্টার করে পালিয়ে যায়। বাদলের শিশুসন্তানের কাছে খবর পেয়ে পাশের বাড়ির লোকজন আগুন জ্বলতে দেখে তা নেভায়। স্থানীয় ও প্রতিবেশীদের ধারণা, পারিবারিক কলহের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘এর আগেও বাদলের পরিবারে কোলহ ছিল, শুনেছি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হতো পরিবারে। গতকাল কী হয়েছে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না, তবে রাতে তাঁর ছেলে পাশের বাড়িতে গিয়ে লোকজন ডেকে আনে। বাদল পালিয়ে গেছেন, ঘরে তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ির মরদেহ পড়ে আছে।’
এ বিষয়ে ধাওয়া ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান সিদ্দিকুল ইসলাম টুলু বলেন, পারিবারিক কোলহ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা ধারণা করছি। ঘটনার পরপরই বাদল পালিয়েছেন। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কোলাহল থেকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত বাদল খানকে আটকের চেষ্টা চলছে।

বিয়ের ২০ দিনের মাথায় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে গলা কেটে হত্যা করেছে বাদল খান (৪৫) নামের এক যুবক। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের দাওয়া গ্রামের খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বাদল খান দাওয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আজিজ খানের ছেলে। তিনি পেশায় চা বিক্রেতা। আর নিহত ব্যক্তিরা হলেন বাদলের স্ত্রী চম্পা বেগম (৩২) ও শাশুড়ি বিলকিস বেগম (৫০)। তাঁরা একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ধাওয়া বাজারে বাদল খানের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। বাদল খান ২০ দিন আগে চতুর্থ বিয়ে করেন চম্পা বেগমকে। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই সন্তান রয়েছে।
গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে বাদল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে ঘরের মধ্যে স্ত্রী চম্পা ও শাশুড়ি বিলকিসকে হত্যা করেন। এ সময় ঘরে থাকা বাদলের আগের ঘরের শিশুসন্তান ঘর থেকে পালিয়ে পাশের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানায়।
বাদল দুজনকে হত্যার পরে ঘরে আগুন দেওয়ার চেষ্টার করে পালিয়ে যায়। বাদলের শিশুসন্তানের কাছে খবর পেয়ে পাশের বাড়ির লোকজন আগুন জ্বলতে দেখে তা নেভায়। স্থানীয় ও প্রতিবেশীদের ধারণা, পারিবারিক কলহের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘এর আগেও বাদলের পরিবারে কোলহ ছিল, শুনেছি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হতো পরিবারে। গতকাল কী হয়েছে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না, তবে রাতে তাঁর ছেলে পাশের বাড়িতে গিয়ে লোকজন ডেকে আনে। বাদল পালিয়ে গেছেন, ঘরে তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ির মরদেহ পড়ে আছে।’
এ বিষয়ে ধাওয়া ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান সিদ্দিকুল ইসলাম টুলু বলেন, পারিবারিক কোলহ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা ধারণা করছি। ঘটনার পরপরই বাদল পালিয়েছেন। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কোলাহল থেকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত বাদল খানকে আটকের চেষ্টা চলছে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে