Ajker Patrika

পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়ক: সংস্কারের ১৫ দিন বাদেই খানাখন্দ, তদন্ত দাবি

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়ক: সংস্কারের ১৫ দিন বাদেই খানাখন্দ, তদন্ত দাবি
পটুয়াখালী থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত মহাসড়কটি সংস্কারের ১৫ দিনের মাথায় খানাখন্দে ভরে গেছে। রোববার দুপুরে শাখারিয়া এলাকা থেকে তোলা। ছবি: আজকের পত্রিকা

পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা স্ট্যান্ড পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার অংশ সংস্কারের ১৫ দিনের মাথায় শত শত খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চালক ও স্থানীয়দের দাবি, দায়সারা কাজের কারণে এ অবস্থা হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং সড়কটি আবার সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ২০০০ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়ক নির্মাণ করে। অভিযোগ রয়েছে, নির্মাণকালেই অনিয়মের কারণে কয়েক বছরের মধ্যেই সড়কটি খানাখন্দে ভরে যায়। ২০১৮ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সড়কের কিছু স্থানে সংস্কার করে।

পটুয়াখালী সেতুর টোল আদায় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ৯’শ ১২টি যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে পণ্য পরিবহন বাস, লোকাল বাস, ডিস্ট্রিক্ট ট্রাক, মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার রয়েছে। এ ছাড়া সহস্রাধিক অবৈধ মাহেন্দ্র, ট্রলি, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোগাড়িও চলাচল করে। গত ৮ বছরে সড়কজুড়ে অসংখ্য খানাখন্দ তৈরি হয়।

চলতি বছরের জুন মাসের শুরুর দিকে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা স্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়ক মেরামত করে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ। ৩০ জুন কাজ শেষ হয়। অভিযোগ উঠেছে, কাজ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই মহাসড়কে শত শত খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন চালকেরা।

গাড়িচালক মোঃ নিজাম উদ্দিন, সালাম এবং স্থানীয় ইমরান, রাসেল ও শাহ আলম দ্রুত সড়ক সংস্কারকাজে অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা স্ট্যান্ড অসংখ্য খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে শাখারিয়া থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার অংশে খানাখন্দ সবচেয়ে বেশি।

যাত্রী তানজিলা, জিয়া উদ্দিন জুয়েল ও নজরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে মহাসড়কে কাজ করতে দেখলাম, কাজ শেষ হতে না হতেই এখন সেই মহাসড়ক খানাখন্দে ভরা।

তুহিন পরিবহনের চালক সাদ্দাম মিয়া বলেন, `সড়কে খানাখন্দের কারণে গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। এতো অল্প সময়ে কিভাবে এতো খানাখন্দ হয় বুঝে আসে না।'

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, `প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সড়কে খানাখন্দ হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই ওই সড়কের খানাখন্দ সংস্কার করা হবে।'

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত