
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. ওবায়েদুল ইসলামকে তাঁর কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৪ মে) বেলা ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর আলোচনা শেষে তাঁকে মুক্ত করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী পিডির কক্ষের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে তালা লাগান। এ সময় তিনি কক্ষে অবরুদ্ধ থাকেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অবরুদ্ধ অবস্থায় পিডি মো. ওবায়েদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চলমান প্রকল্পের কাজ থেকে ১ শতাংশ কমিশন দাবি করা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
তবে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা জনি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’ তাঁর দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ জানাতেই তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেছেন।
ঘটনার পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার পর সমঝোতায় পৌঁছালে পিডির কক্ষের তালা খুলে দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কিছু বিষয়ে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। অভিযোগ লিখিতভাবে পেলে বিষয়টি যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য উপাচার্যের কাছে সুপারিশ করা হবে।’

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ৫ মে থেকে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, গোলাপখাস, বৈশাখী, বোম্বাইসহ স্থানীয় জাতের আম পাড়া শুরু হবে। এরপর ১৫ মে থেকে হিমসাগর ও ক্ষীরসাপাত, ২৭ মে ল্যাংড়া এবং ৫ জুন আম্রপালি সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
আশ্রয়কেন্দ্রের জায়গায় বালু ভরাট করা হয়েছে। মানুষের জন্য তিনতলা ও গবাদিপশুর জন্য একটি একতলা বিল্ডিং হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গবাদিপশুর বিল্ডিংয়ের ৪০টি কলাম ওঠানো হয়েছে মাত্র। ছিটিয়ে-ছড়িয়ে আছে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত সামগ্রীগুলো।
১০ মিনিট আগে
গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নবনিযুক্ত ডিজি ড. মো. আমিনুল ইসলামকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর ও দুর্নীতিবাজ’ আখ্যা দিয়ে নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করছে বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ।
২ ঘণ্টা আগে
ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ায় এখনো তা কেটে ঘরে তুলতে পারেননি হাওরাঞ্চলের অনেক কৃষক। আবার যাঁরা বাড়তি মজুরি দিয়ে ধান কেটে তীরে বা রাস্তায় রেখেছিলেন, তাও নষ্ট হয়ে গেছে। আর তাই কৃষকেরা আক্ষেপ করে বলছেন, যাঁরা তলিয়ে যাওয়া ধান কাটেননি, তাঁদের বরং কম ক্ষতি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে