
আট মিনিটের বিদ্যুৎ-বিভ্রাটকে রাজনৈতিক পক্ষপাত উল্লেখ করে কলিজা ছেঁড়ার হুমকি দিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
এ সময় তিনি বলেন, ‘একবার নয়, দুইবার নয়, এবার নিয়ে তিনবার এনসিপির সভা চলাকালে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। নেসকোর মালিক ও তার বাপকে জবাব দিতে হবে—এনসিপির প্রোগ্রামের সময় এটা হয় কেন? যারা এই কাজ করেছে, মূলত রাজনৈতিক দেউলিয়াদের আমরা দেখে নেব—তাদের কলিজা কত বড় হইছে। কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব। এরপর দেখব পঞ্চগড়ের নেসকোর দায়িত্বে কে আছে।’
ঘটনাটি ঘটে গতকাল শনিবার রাতে পঞ্চগড়ের শেরেবাংলা পার্ক মোড়ে এনসিপির পথসভায়। চাঁদাবাজি, দখলদারি, সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলাজুড়ে লংমার্চ করে দলটি। এ দিন সকালে পৌরসভার চিনিকল মাঠ থেকে লংমার্চের নেতৃত্ব দেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই সময় (রাত ৯টা ২০ মিনিট) বৈশাখী মোড় এলাকায় একটি লাইনে আগুন ধরার খবর পায় কর্তৃপক্ষ। পরে তাৎক্ষণিক বৈদ্যুতিক লাইনটি শাটডাউন করতে বাধ্য হন কর্মরত ব্যক্তিরা।
জানতে চাইলে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল রাত ৯টা ২০ মিনিটে বৈশাখী মোড় এলাকায় আমাদের একটি লাইনে আগুন লাগে। বিষয়টি বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে আমরা বৈদ্যুতিক লাইনটি বন্ধ করি।
‘পরে আমাদের কারিগরি টিম দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ৯টা ২৮ মিনিটে সংযোগ পুনরায় সচল করে। অর্থাৎ মাত্র ৮ মিনিট বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ ছিল।’
নুরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘প্রোগ্রামের বিষয়ে আমাদের আগে থেকে জানানো হয়নি। ঘটনাটি ছিল একটি দুর্ঘটনাজনিত কারিগরি সমস্যা।’
এ বিষয়ে ওই এলাকার (বৈশাখী মোড়) বাসিন্দা সায়েম সরকার বলেন, ‘সেই সময় আমি বাড়িতে খেতে বসেছিলাম। হঠাৎ দেখি বাইরে সবাই চিৎকার করছে—বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারের তারে আগুন লেগেছে। আমরা তাড়াহুড়ো করে বাইরে চলে যাই। আমি বিদ্যুৎ অফিসের লাইনম্যানকে ফোন দিলে তারা সঙ্গে সঙ্গে লাইন বন্ধ করে দেয়। কিছুক্ষণ পর আবার সংযোগ চালু করে, আগুন নিভে যায়। পরে নেসকোর টিম ঘটনাস্থলে আসে।’
নেসকোর তথ্যানুযায়ী, গতকালের বিভ্রাটটি ছিল বৈশাখী মোড়ে ট্রান্সফরমারের লাইনে আগুন লাগার কারণে সৃষ্ট কারিগরি ত্রুটি, যা দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামত করে মাত্র আট মিনিটের মধ্যে বিদ্যুৎ-সংযোগ স্বাভাবিক করা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে