ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে দুই শিশুসন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে আগুনে পুড়ে এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আসনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূ ওই এলাকার কৃষক জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী আদিলা বেগম (৪০)। তিনি পাঁচ সন্তানের জননী। এ সময় আগুনে দুই সন্তানসহ পাঁচজন আহত হয়েছে। এ ছাড়া আগুনে ওই গ্রামের সাতটি কৃষক পরিবারের ২৭টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মারা গেছে ২০টি হাঁস-মুরগি ও পাঁচটি ছাগল।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে সাঁড়া ইউনিয়নের ফুটবল মাঠের পাশে আসনা গ্রামের কৃষক জিয়াউলের বাড়িতে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এলাকাটি ঘনবসতি হওয়ায় দ্রুত আগুনের লেলিহান শিখা একে একে পার্শ্ববর্তী সাত কৃষকের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী আগুন নেভাতে চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী, নাটোরের লালপুর, পাবনাসহ ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট এসে আগুন নেভাতে অংশ নেয়। এরপর বেলা ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ও দমকল বাহিনীর ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মীর আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বেলা ১১টা ২০ মিনিটে মোবাইলে খবর পাই। এরপর ঈশ্বরদী শহর, ঈশ্বরদী ইপিজেড, লালপুর, পাবনাসহ ছয়টি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে আগুন নেভাতে কাজ করেছে।’
সাঁড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শহিদুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার পরপর স্থানীয় মানুষজন তা নেভাতে সচেষ্ট হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে পাশে গ্যাসের চুলা ছিল।
গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে শহিদুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার পর নিজ শোবার ঘরে আটকা পড়েছিল তাঁর দুই শিশুসন্তান। তাদের একজনের বয়স তিন ও আরেকজনের পাঁচ বছর। আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে আদিলা খাতুন তাঁর ঘর থেকে বের হয়ে যান। এরপর যখন দেখেন, তাঁদের সন্তান নেই, তারা ওই ঘরে আটকা পড়েছে, তখন তিনি দুজনকে আগুন থেকে বাঁচাতে অগ্নিদগ্ধ ঘরের ভেতরে যান এবং দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে আনলেও আগুনে তাঁর পুরো শরীর দগ্ধ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে উন্মুক্ত জায়গায় নিয়ে আসার আগে তিনি মারা যান।
সচিব আরও জানান, ঘটনার পর ঈশ্বরদীর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে দুই শিশুসন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে আগুনে পুড়ে এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আসনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূ ওই এলাকার কৃষক জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী আদিলা বেগম (৪০)। তিনি পাঁচ সন্তানের জননী। এ সময় আগুনে দুই সন্তানসহ পাঁচজন আহত হয়েছে। এ ছাড়া আগুনে ওই গ্রামের সাতটি কৃষক পরিবারের ২৭টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মারা গেছে ২০টি হাঁস-মুরগি ও পাঁচটি ছাগল।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে সাঁড়া ইউনিয়নের ফুটবল মাঠের পাশে আসনা গ্রামের কৃষক জিয়াউলের বাড়িতে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এলাকাটি ঘনবসতি হওয়ায় দ্রুত আগুনের লেলিহান শিখা একে একে পার্শ্ববর্তী সাত কৃষকের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী আগুন নেভাতে চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী, নাটোরের লালপুর, পাবনাসহ ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট এসে আগুন নেভাতে অংশ নেয়। এরপর বেলা ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ও দমকল বাহিনীর ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মীর আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বেলা ১১টা ২০ মিনিটে মোবাইলে খবর পাই। এরপর ঈশ্বরদী শহর, ঈশ্বরদী ইপিজেড, লালপুর, পাবনাসহ ছয়টি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে আগুন নেভাতে কাজ করেছে।’
সাঁড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শহিদুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার পরপর স্থানীয় মানুষজন তা নেভাতে সচেষ্ট হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে পাশে গ্যাসের চুলা ছিল।
গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে শহিদুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার পর নিজ শোবার ঘরে আটকা পড়েছিল তাঁর দুই শিশুসন্তান। তাদের একজনের বয়স তিন ও আরেকজনের পাঁচ বছর। আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে আদিলা খাতুন তাঁর ঘর থেকে বের হয়ে যান। এরপর যখন দেখেন, তাঁদের সন্তান নেই, তারা ওই ঘরে আটকা পড়েছে, তখন তিনি দুজনকে আগুন থেকে বাঁচাতে অগ্নিদগ্ধ ঘরের ভেতরে যান এবং দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে আনলেও আগুনে তাঁর পুরো শরীর দগ্ধ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে উন্মুক্ত জায়গায় নিয়ে আসার আগে তিনি মারা যান।
সচিব আরও জানান, ঘটনার পর ঈশ্বরদীর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে