পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন (২৯) হত্যা এবং ঈশ্বরদী উপজেলায় ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের হলুদ বোঝাই ট্রাক ডাকাতির ঘটনায় জড়িতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইসমাইল হত্যার মূল আসামি রবিউল করিমকে (৩২) গ্রেপ্তার ও হত্যায় ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া হলুদ বোঝাই ট্রাক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং ডাকাতি হওয়া হলুদ ও ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি বলেন, চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী মাহমুদা খাতুন ওরফে মতেজার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই ইউনিয়নের ধুলাউড়ি কুঠিপাড়া গ্রামের রবিউল করিমের। এদিকে ইসমাইলের আবার সোনার মূর্তি ব্যবসার প্রতি লোভ ছিল।
নিজের পথের কাটা সরাতে তাই ইসমাইলকে সোনার মূর্তি ব্যবসার মিথ্যা প্রলোভন দেন রবিউল। নিজের কাছে একটি সোনার মূর্তি আছে বলেও জানান তিনি। সেটি বিক্রি করে অনেক টাকার মালিক হতে পারবে এমন আশায় ইসমাইল সোনার মূর্তিটি দেখতে চায়। রবিউল তাকে জানায়, মূর্তিটি তার জমিতে পুঁতে রাখা আছে। রাতে গিয়ে আনতে হবে।
এই কৌশলে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে সোনার মূর্তি দেওয়ার কথা বলে বাইসাইকেলে করে ইসমাইলকে ডেকে নিয়ে যায় রবিউল। এরপর ধূলাউড়ি নলগাড়ী বিলের মধ্যে ভুট্টার জমিতে ইসমাইলকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে রবিউল। ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে ইসমাইল বাড়ি না ফেরায় তাঁর স্ত্রী ও স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এর পাঁচ দিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ভুট্টাখেত থেকে একটি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে স্ত্রী মতেজা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি তাঁর স্বামী ইসমাইলের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় চাটমোহর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ৪ মার্চ ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে রবিউলকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে, হত্যায় ব্যবহৃত একটি গামছা, একটি বাইসাইকেল এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ জব্দ জব্দ করা হয়। হত্যার ঘটনায় আসামি রবিউল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
এদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া থেকে ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের হলুদ বোঝাই একটি ট্রাক ডাকাতির ঘটনারও ক্লু উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার ও ডাকাতি হওয়া হলুদসহ ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার মেলাগাছি গ্রামের হালিম মিয়া ওরফে চুকা ওরফে চিকু (৪০), টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দেওড়া গ্রামের রিপন মিয়া (৩২) ও জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরশিশুয়া গ্রামের বেল্লাল ফকির (৩৫)।
পুলিশের দাবি, তারা আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। জেন্ট দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে এবং অভিনব পন্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ডাকাতি করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধারায় একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি জানান, চক্রটি নিজেদের র্যাব পরিচয় দিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় একটি হলুদ চাতাল মিলের দুজন নৈশপ্রহরীকে বেঁধে ২০৮ বস্তা হলুদ বোঝাই মিনি ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন ১৭ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার পর টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় হলুদের আড়তে অভিযানে যায় পুলিশের কয়েকটি দল। এরপর পুলিশ জানতে পারে লুণ্ঠিত ২০৮ বস্তা হলুদের মধ্যে ২৫ বস্তা হলুদ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়া থানার বাইপাইল এলাকায় একটি পাইকারি দোকানে ডাকাত দলের সদস্যরা ১ লাখ ৬২ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে। সেই সূত্র ধরে ১৯ ফেব্রুয়ারি মোবাইলে টাকা নিতে আসার কথা বলে বাইপাইল এলাকা থেকে প্রথমে রিপন ও বেল্লালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে, বাইপাইলে উক্ত দোকান থেকে ২৫ বস্তা হলুদ (ওজন ১২৫০ কেজি) এবং টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানা এলাকা থেকে আরও ১৪৩ বস্তা হলুদ (ওজন ৭১৫০ কেজি) উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাকের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের বাসন থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ডাকাত সদস্য হালিম ওরফে চুকা ওরফে চিকু কে গ্রেপ্তার ও ট্রাকটি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত তিন ডাকাত সদস্য আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন (২৯) হত্যা এবং ঈশ্বরদী উপজেলায় ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের হলুদ বোঝাই ট্রাক ডাকাতির ঘটনায় জড়িতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইসমাইল হত্যার মূল আসামি রবিউল করিমকে (৩২) গ্রেপ্তার ও হত্যায় ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া হলুদ বোঝাই ট্রাক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং ডাকাতি হওয়া হলুদ ও ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি বলেন, চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী মাহমুদা খাতুন ওরফে মতেজার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই ইউনিয়নের ধুলাউড়ি কুঠিপাড়া গ্রামের রবিউল করিমের। এদিকে ইসমাইলের আবার সোনার মূর্তি ব্যবসার প্রতি লোভ ছিল।
নিজের পথের কাটা সরাতে তাই ইসমাইলকে সোনার মূর্তি ব্যবসার মিথ্যা প্রলোভন দেন রবিউল। নিজের কাছে একটি সোনার মূর্তি আছে বলেও জানান তিনি। সেটি বিক্রি করে অনেক টাকার মালিক হতে পারবে এমন আশায় ইসমাইল সোনার মূর্তিটি দেখতে চায়। রবিউল তাকে জানায়, মূর্তিটি তার জমিতে পুঁতে রাখা আছে। রাতে গিয়ে আনতে হবে।
এই কৌশলে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে সোনার মূর্তি দেওয়ার কথা বলে বাইসাইকেলে করে ইসমাইলকে ডেকে নিয়ে যায় রবিউল। এরপর ধূলাউড়ি নলগাড়ী বিলের মধ্যে ভুট্টার জমিতে ইসমাইলকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে রবিউল। ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে ইসমাইল বাড়ি না ফেরায় তাঁর স্ত্রী ও স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এর পাঁচ দিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ভুট্টাখেত থেকে একটি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে স্ত্রী মতেজা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি তাঁর স্বামী ইসমাইলের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় চাটমোহর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ৪ মার্চ ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে রবিউলকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে, হত্যায় ব্যবহৃত একটি গামছা, একটি বাইসাইকেল এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ জব্দ জব্দ করা হয়। হত্যার ঘটনায় আসামি রবিউল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
এদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া থেকে ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের হলুদ বোঝাই একটি ট্রাক ডাকাতির ঘটনারও ক্লু উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার ও ডাকাতি হওয়া হলুদসহ ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার মেলাগাছি গ্রামের হালিম মিয়া ওরফে চুকা ওরফে চিকু (৪০), টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দেওড়া গ্রামের রিপন মিয়া (৩২) ও জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরশিশুয়া গ্রামের বেল্লাল ফকির (৩৫)।
পুলিশের দাবি, তারা আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। জেন্ট দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে এবং অভিনব পন্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ডাকাতি করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধারায় একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি জানান, চক্রটি নিজেদের র্যাব পরিচয় দিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় একটি হলুদ চাতাল মিলের দুজন নৈশপ্রহরীকে বেঁধে ২০৮ বস্তা হলুদ বোঝাই মিনি ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন ১৭ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার পর টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় হলুদের আড়তে অভিযানে যায় পুলিশের কয়েকটি দল। এরপর পুলিশ জানতে পারে লুণ্ঠিত ২০৮ বস্তা হলুদের মধ্যে ২৫ বস্তা হলুদ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়া থানার বাইপাইল এলাকায় একটি পাইকারি দোকানে ডাকাত দলের সদস্যরা ১ লাখ ৬২ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে। সেই সূত্র ধরে ১৯ ফেব্রুয়ারি মোবাইলে টাকা নিতে আসার কথা বলে বাইপাইল এলাকা থেকে প্রথমে রিপন ও বেল্লালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে, বাইপাইলে উক্ত দোকান থেকে ২৫ বস্তা হলুদ (ওজন ১২৫০ কেজি) এবং টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানা এলাকা থেকে আরও ১৪৩ বস্তা হলুদ (ওজন ৭১৫০ কেজি) উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাকের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের বাসন থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ডাকাত সদস্য হালিম ওরফে চুকা ওরফে চিকু কে গ্রেপ্তার ও ট্রাকটি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত তিন ডাকাত সদস্য আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে