পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহরে র্যাবের গাড়ির ধাক্কায় রইছ শেখ (৬২) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চাটমোহর-টেবুনিয়া সড়কের রতনপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধকে র্যাব সদস্যরা তাঁদের গাড়িতে করেই চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রইছ শেখ। তিনি উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের মৃত পর্বত শেখের ছেলে।
স্বজন, প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রইছ শেখ স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ে চাটমোহর-টেবুনিয়া সড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তা পার হওয়ার সময় তিনি দোটানায় পড়লে র্যাবের গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে মাটিতে পড়ে যান। এ সময় দুই পা গাড়ির চাকায় পিষ্ট হলে গুরুতর আহত হন রইছ শেখ।
তাঁকে র্যাব সদস্যরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে হাসপাতাল চলে যান। সেখানে ওই বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠান চিকিৎসক। পরে স্বজনেরা অ্যাম্বুলেন্সে রাজশাহী নেওয়ার পথে নওদাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে রাত ৯টার দিকে মারা যান তিনি।
নিহত রইছ শেখের ভাতিজা জনি হোসেন বলেন, ‘র্যাব-১২-এর একটি গাড়ি আমার বড় আব্বাকে ধাক্কা দেয় এবং গাড়ির চাকায় তার দুই পা পিষ্ট হয়। পরে তাঁকে রাজশাহী নেওয়ার পথে মারা যান। বিষয়টি আমি চাটমোহর থানার ওসিকে জানিয়েছিলাম। এ ছাড়া র্যাবের পক্ষ থেকেও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।’
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, ‘র্যাব-১২-এর একটি গাড়ির ধাক্কায় রইছ শেখ নামের এক বৃদ্ধ আহত হয়েছিলেন। পরে রাজশাহীতে নেওয়ার পথে তিনি মারা গেছেন বলে শুনেছি। তবে পরিবারটির পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।’
এ বিষয়ে সিপিসি-২, র্যাব-১২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার এহতেশামুল হক খানের সঙ্গে কথা বলতে তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে খুদেবার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।

পাবনার চাটমোহরে র্যাবের গাড়ির ধাক্কায় রইছ শেখ (৬২) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চাটমোহর-টেবুনিয়া সড়কের রতনপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধকে র্যাব সদস্যরা তাঁদের গাড়িতে করেই চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রইছ শেখ। তিনি উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের মৃত পর্বত শেখের ছেলে।
স্বজন, প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রইছ শেখ স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ে চাটমোহর-টেবুনিয়া সড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তা পার হওয়ার সময় তিনি দোটানায় পড়লে র্যাবের গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে মাটিতে পড়ে যান। এ সময় দুই পা গাড়ির চাকায় পিষ্ট হলে গুরুতর আহত হন রইছ শেখ।
তাঁকে র্যাব সদস্যরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে হাসপাতাল চলে যান। সেখানে ওই বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠান চিকিৎসক। পরে স্বজনেরা অ্যাম্বুলেন্সে রাজশাহী নেওয়ার পথে নওদাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে রাত ৯টার দিকে মারা যান তিনি।
নিহত রইছ শেখের ভাতিজা জনি হোসেন বলেন, ‘র্যাব-১২-এর একটি গাড়ি আমার বড় আব্বাকে ধাক্কা দেয় এবং গাড়ির চাকায় তার দুই পা পিষ্ট হয়। পরে তাঁকে রাজশাহী নেওয়ার পথে মারা যান। বিষয়টি আমি চাটমোহর থানার ওসিকে জানিয়েছিলাম। এ ছাড়া র্যাবের পক্ষ থেকেও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।’
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, ‘র্যাব-১২-এর একটি গাড়ির ধাক্কায় রইছ শেখ নামের এক বৃদ্ধ আহত হয়েছিলেন। পরে রাজশাহীতে নেওয়ার পথে তিনি মারা গেছেন বলে শুনেছি। তবে পরিবারটির পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।’
এ বিষয়ে সিপিসি-২, র্যাব-১২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার এহতেশামুল হক খানের সঙ্গে কথা বলতে তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে খুদেবার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে