
নোয়াখালী হাতিয়ায় অজ্ঞান পার্টির প্রধান সদস্য মো. শামীমকে (২৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রেস নোটের মাধ্যমে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার শামীম উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড লামছি গ্রামের শফিউল আলমের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় ৭টি মামলা রয়েছে। গত শনিবার রাতে তাঁকে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস নোটে বলা হয়, হাতিয়ায় বেশ কয়েকটি জায়গায় স্প্রে প্রয়োগ করে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ২৮ অক্টোবর চরঈশ্বর ইউনিয়নের খাসের হাটের হাজী কামরুলের বাড়িতে স্প্রে প্রয়োগ করে চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এলে পুলিশ দ্রুত মামলা রেকর্ড করে এবং মূল অপরাধী শনাক্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয়। বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালায় পুলিশ। সবশেষে বুড়িরচর ইউনিয়ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান পার্টির মূল হোতা মো. শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগান ও দুটি কার্তুজ এবং ১১ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
হাতিয়া থানার ওসি বলেন, গ্রেপ্তারের পর শামীম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আগে আরও সাতটি মামলা তদন্তাধীন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির কারণে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এর আগেও কয়েক সপ্তাহ ধরে এলাকায় তীব্র লোডশেডিং চলছিল, যা হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবাকে ব্যাহত করছে।
১৪ মিনিট আগে
২৬ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সেমিস্টারের প্রেজেন্টেশন পেপার প্রিন্ট করতে মদিনা মার্কেটের হক ম্যানশনে অবস্থিত একটি দোকানে যান। সেখানে প্রতি পৃষ্ঠা ৩০ টাকা করে লেখা ও প্রিন্ট করতে অর্ডার করেন তিনি। কাজ শেষে দোকানের কর্মচারী অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
২৭ মিনিট আগে
পরিবারের ভাষ্য, নাঈম প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তবে রাতেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া পান।
৩১ মিনিট আগে
মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে