ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলায় বিদ্যালয়ের খেলার মাঠসহ শহীদ মিনারের জায়গা দখল করে বাড়ি ও গোয়ালঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আবু রায়হান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তবে ওই জমি তিনি কিনেছেন বলে দাবি করেছেন।
গত ৯ ডিসেম্বর উপজেলার দক্ষিণ সোনাখুলির চর কুটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
অভিযোগে বলা হয়, এই বিদ্যালয়ের নামে ২০০৭ সালে ৩৪ শতাংশ জমি দান করেন স্থানীয় বাসিন্দা তায়েজ উদ্দিন ও ফয়েজ উদ্দিন। এর মধ্যে ১২ শতাংশ জমির মালিকানা দাবি করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন রায়হান। বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে প্রতিদিনের সমাবেশ ও খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগের বিষয়ে আবু রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি তো স্কুলের জমি দখল করিনি। বিদ্যালয়ের জমিদাতা ফয়েজ উদ্দিনের ছেলের কাছ থেকে তা কিনে নিয়েছি। আমি বৈধ জমিতেই বাড়ি করেছি। এতে স্কুলের ক্ষতি হলো না লাভ হলো, এটা আমার দেখার বিষয় না।’
এ নিয়ে বিদ্যালয়ের জমিদাতা তায়েজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা চার ভাই। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৬ একর ৬৪ শতাংশের মধ্যে ৩৪ শতাংশ জমি আমরা দুই ভাই স্কুলের জন্য দান করেছি। সমপরিমাণ জমি অন্যত্র ভোগদখল করছেন ময়েজ উদ্দিন। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁর সন্তানেরা ওই জমির মালিকানা দাবি করে স্কুলের ১২ শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন বলে শুনেছি।’
এ নিয়ে কথা হয় ময়েজের ছেলে আব্দুল কুদ্দুসের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ১২ শতক জমির মালিক। আমাদের অংশ আমরা বিক্রি করে দিয়েছি।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের বলেন, ‘অনেক চেষ্টা-তদবিরের পর বিদ্যালয়ের একটি পাকা ভবন নির্মাণের জন্য সম্প্রতি মাটি পরীক্ষা করেছে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ। এখন মাঠ দখল হওয়ায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ভবনের বরাদ্দ।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের জমির সঠিক সীমানা নির্ধারণের জন্য উপজেলা সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সীমানা নির্ধারণ হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নীলফামারীর ডিমলায় বিদ্যালয়ের খেলার মাঠসহ শহীদ মিনারের জায়গা দখল করে বাড়ি ও গোয়ালঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আবু রায়হান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তবে ওই জমি তিনি কিনেছেন বলে দাবি করেছেন।
গত ৯ ডিসেম্বর উপজেলার দক্ষিণ সোনাখুলির চর কুটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
অভিযোগে বলা হয়, এই বিদ্যালয়ের নামে ২০০৭ সালে ৩৪ শতাংশ জমি দান করেন স্থানীয় বাসিন্দা তায়েজ উদ্দিন ও ফয়েজ উদ্দিন। এর মধ্যে ১২ শতাংশ জমির মালিকানা দাবি করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন রায়হান। বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে প্রতিদিনের সমাবেশ ও খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগের বিষয়ে আবু রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি তো স্কুলের জমি দখল করিনি। বিদ্যালয়ের জমিদাতা ফয়েজ উদ্দিনের ছেলের কাছ থেকে তা কিনে নিয়েছি। আমি বৈধ জমিতেই বাড়ি করেছি। এতে স্কুলের ক্ষতি হলো না লাভ হলো, এটা আমার দেখার বিষয় না।’
এ নিয়ে বিদ্যালয়ের জমিদাতা তায়েজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা চার ভাই। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৬ একর ৬৪ শতাংশের মধ্যে ৩৪ শতাংশ জমি আমরা দুই ভাই স্কুলের জন্য দান করেছি। সমপরিমাণ জমি অন্যত্র ভোগদখল করছেন ময়েজ উদ্দিন। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁর সন্তানেরা ওই জমির মালিকানা দাবি করে স্কুলের ১২ শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন বলে শুনেছি।’
এ নিয়ে কথা হয় ময়েজের ছেলে আব্দুল কুদ্দুসের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ১২ শতক জমির মালিক। আমাদের অংশ আমরা বিক্রি করে দিয়েছি।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের বলেন, ‘অনেক চেষ্টা-তদবিরের পর বিদ্যালয়ের একটি পাকা ভবন নির্মাণের জন্য সম্প্রতি মাটি পরীক্ষা করেছে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ। এখন মাঠ দখল হওয়ায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ভবনের বরাদ্দ।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের জমির সঠিক সীমানা নির্ধারণের জন্য উপজেলা সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সীমানা নির্ধারণ হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে