নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল এখনো সমীক্ষা পর্যায়ে: স্বাস্থ্যের ডিজি

নীলফামারীতে প্রস্তাবিত এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রকল্পটি এখনো সমীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, এ প্রকল্পে যাঁরা আগ্রহ দেখিয়েছেন বা অর্থায়ন করতে চান, তাঁরা নিজ নিজ উদ্যোগে সমীক্ষা চালাচ্ছেন।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল পরিদর্শন ও মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসপাতাল পরিদর্শনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে আপনারা জানেন যে এখন ডেঙ্গু হচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য ফ্যাসিলিটিগুলো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, চিকিৎসকদের উপস্থিতি, চলমান সেবার মান—এসব বিষয় তদারকি করা এবং আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলো কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়, তা দেখতেই আজ এখানে এসেছি।’
সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে জনবলসংকটের বিষয়ে ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘এটি শুধু এখানকার চিত্র নয়, দেশের বেশ কিছু হাসপাতালে জনবলসংকট রয়েছে। বর্তমান সরকার এই জনবলসংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য জেলা পর্যায়ের শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম চালাচ্ছে। অনেক জেলায় ইতিমধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগও চলমান রয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী দ্রুত সময়ের মধ্যে জনবলের যে সংকটগুলো রয়েছে, সেগুলো কাটিয়ে উঠতে পারব।’
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে যে সেবার পরিকল্পনা রয়েছে, বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা ও নির্বাচনী অঙ্গীকারের পাশাপাশি অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের যেভাবে এটি বিন্যস্ত হচ্ছে, আমাদের এক লাখ সুস্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. ওয়াজেদ আলী, নীলফামারীর সিভিল সার্জন মো. আব্দুর রাজ্জাক, দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন মো. গোলাম রসুল রাখি, সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আসিফ ফেরদৌস এবং হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নাজমুল হুদাসহ অন্য কর্মকর্তারা।









