নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে বেলা ৩টায় ১১ সেন্টিমিটার নিচে নামে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, আজ সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর সকাল ৯টায় কিছুটা বেড়ে ৭ সেন্টিমিটার, দুপুর ১২টায় ৬ সেন্টিমিটার ও বেলা ৩টায় ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।
এদিকে চলতি বর্ষায় গত ১৯ জুন প্রথমবার তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠে। পানি বাড়া-কমার মধ্যে থেকে গত ১৫ জুলাই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়। সেদিন তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার নিচে নামার পর পর্যায়ক্রমে পানি কমে যায়। এর ২৫ দিন পর ফের নদীর পানি বিপৎসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ১৫টি চর গ্রামের মানুষ ফের বন্যার হুমকির মধ্যে রয়েছে।
ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, ‘পানি বাড়ার সঙ্গে আমার ইউনিয়নের পূর্ব ছাতনাই ও ঝাড়সিংহেশ্বর গ্রামের মানুষ বন্যার হুমকির মধ্যে পড়েছে।’
উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউপির চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও বাসাবাড়িতে এখনো পানি ওঠেনি।’
ডালিয়া পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, ‘উজানের ঢলে নদীর পানি বাড়ছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।’

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে বেলা ৩টায় ১১ সেন্টিমিটার নিচে নামে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, আজ সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর সকাল ৯টায় কিছুটা বেড়ে ৭ সেন্টিমিটার, দুপুর ১২টায় ৬ সেন্টিমিটার ও বেলা ৩টায় ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।
এদিকে চলতি বর্ষায় গত ১৯ জুন প্রথমবার তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠে। পানি বাড়া-কমার মধ্যে থেকে গত ১৫ জুলাই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়। সেদিন তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার নিচে নামার পর পর্যায়ক্রমে পানি কমে যায়। এর ২৫ দিন পর ফের নদীর পানি বিপৎসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ১৫টি চর গ্রামের মানুষ ফের বন্যার হুমকির মধ্যে রয়েছে।
ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, ‘পানি বাড়ার সঙ্গে আমার ইউনিয়নের পূর্ব ছাতনাই ও ঝাড়সিংহেশ্বর গ্রামের মানুষ বন্যার হুমকির মধ্যে পড়েছে।’
উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউপির চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও বাসাবাড়িতে এখনো পানি ওঠেনি।’
ডালিয়া পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, ‘উজানের ঢলে নদীর পানি বাড়ছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।’

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৮ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে