নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে শম্ভু বিশ্বাস (৫১) নামের এক হত্যা মামলার বাদীর গলায় রশি প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের পদমশ্রী গ্রামে বাড়ির পাশে একটি পুকুরপাড় থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শম্ভু বিশ্বাস পদমশ্রী গ্রামের যুগেন বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে শম্ভু বিশ্বাসের ভাই রানা বিশ্বাসকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় শম্ভু বিশ্বাস অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। এই চার ব্যক্তি হলেন উপজেলার মাঘান নোয়াপাড়া গ্রামের ফারুক মিয়া, আলমশ্রী গ্রামের আবুল মিয়া, কদমশ্রী গ্রামের রফিকুল ইসলাম ও প্রণয় সরকার। হত্যা মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় আছে। আসামিরা জামিনে আছেন।
শম্ভু বিশ্বাসের ভাই কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, ‘আসামিদের স্বজনদের ভয়ে শ্বশুরবাড়ি সুনামগঞ্জে চলে যায় শম্ভু। ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার রানার হত্যা মামলার শুনানির জন্য নেত্রকোনা আদালতে আসে সে। পরে নিজ বাড়ি ফেরার পথে নেত্রকোনার মদন বাসস্ট্যান্ডে কদমশ্রী গ্রামের বাবুলসহ কয়েকজন শম্ভুর পথ রোধ করে। এ সময় তাকে হত্যা মামলা তুলে নিতে চাপ দেয় তারা। নয়তো তাকেও হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে শম্ভুর গলায় রশি প্যাঁচানো লাশ পাওয়া যায়।’
কৃষ্ণ বিশ্বাস আরও বলেন, ‘আমাদের ধারণা, যারা হুমকি দিয়েছিল, তারাই আমার ভাই শম্ভুকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’
ঘটনার পর থেকে কদমশ্রী গ্রামের বাবুল পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাবুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘খবর পেয়ে পদমশ্রী গ্রাম থেকে শম্ভু বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের গলায় রশি প্যাঁচানো। কিন্তু উদ্ধার করা হয়েছে পুকুরের পাড় থেকে। মরদেহটি মাটিতে নামিয়েছে—এমন কোনো ব্যক্তিকেও এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শম্ভু বিশ্বাস একটি হত্যা মামলার বাদী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিহতের স্বজনদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনার মদনে শম্ভু বিশ্বাস (৫১) নামের এক হত্যা মামলার বাদীর গলায় রশি প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের পদমশ্রী গ্রামে বাড়ির পাশে একটি পুকুরপাড় থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শম্ভু বিশ্বাস পদমশ্রী গ্রামের যুগেন বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে শম্ভু বিশ্বাসের ভাই রানা বিশ্বাসকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় শম্ভু বিশ্বাস অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। এই চার ব্যক্তি হলেন উপজেলার মাঘান নোয়াপাড়া গ্রামের ফারুক মিয়া, আলমশ্রী গ্রামের আবুল মিয়া, কদমশ্রী গ্রামের রফিকুল ইসলাম ও প্রণয় সরকার। হত্যা মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় আছে। আসামিরা জামিনে আছেন।
শম্ভু বিশ্বাসের ভাই কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, ‘আসামিদের স্বজনদের ভয়ে শ্বশুরবাড়ি সুনামগঞ্জে চলে যায় শম্ভু। ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার রানার হত্যা মামলার শুনানির জন্য নেত্রকোনা আদালতে আসে সে। পরে নিজ বাড়ি ফেরার পথে নেত্রকোনার মদন বাসস্ট্যান্ডে কদমশ্রী গ্রামের বাবুলসহ কয়েকজন শম্ভুর পথ রোধ করে। এ সময় তাকে হত্যা মামলা তুলে নিতে চাপ দেয় তারা। নয়তো তাকেও হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে শম্ভুর গলায় রশি প্যাঁচানো লাশ পাওয়া যায়।’
কৃষ্ণ বিশ্বাস আরও বলেন, ‘আমাদের ধারণা, যারা হুমকি দিয়েছিল, তারাই আমার ভাই শম্ভুকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’
ঘটনার পর থেকে কদমশ্রী গ্রামের বাবুল পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাবুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘খবর পেয়ে পদমশ্রী গ্রাম থেকে শম্ভু বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের গলায় রশি প্যাঁচানো। কিন্তু উদ্ধার করা হয়েছে পুকুরের পাড় থেকে। মরদেহটি মাটিতে নামিয়েছে—এমন কোনো ব্যক্তিকেও এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শম্ভু বিশ্বাস একটি হত্যা মামলার বাদী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিহতের স্বজনদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
৩৪ মিনিট আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যায় সন্দেহভাজন হোটেলকর্মী মিলনকে আটক করেছে র্যাব। আজ সোমবার সকালে র্যাব সদর দপ্তরের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
পাবনার বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক প্রলয় চাকির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
২ ঘণ্টা আগে