
নেত্রকোনায় মোছা. সাহারা (৩৫) নামের এক ফটোসাংবাদিক মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোরে জেলা শহরের রাজুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত আলোর জগত নামের একটি পত্রিকায় কাজ করতেন।
এ ঘটনায় একই পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ফেরদৌসী আক্তার (৪২) এবং তাঁদের বহনকারী মোটরসাইকেলচালক জনি খান (২২) আহত হয়েছেন। তাঁরা নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সাহারা ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকার জাহের আলীর মেয়ে। আহত স্টাফ রিপোর্টার ফেরদৌসী আক্তার নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার কাশতলা গ্রামের আব্দুল মতিনের স্ত্রী। তাঁদের বহনকারী মোটরসাইকেলচালক জনি খান বারহাট্টা উপজেলার দশধার এলাকার বাসিন্দা।
অবৈধভাবে আসা চিনিভর্তি ট্রাক ও ‘চোরাকারবারি’দের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
আহত মোটরসাইকেলচালক জনি খান বলেন, ‘ওই দুই নারী সাংবাদিক বারহাট্টার দশধারে আমাদের বাড়িতে একটি রুম ভাড়া নেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে আমাকে নিয়ে ঠাকুরাকোনা বাজারে যান। মোটরসাইকেলে করে আমি তাঁদের সেখানে নিয়ে যাই। সেখানে সাংবাদিক পরিচয়ে সাহারা ও ফেরদৌসী কলমাকান্দা থেকে আসা একটি চিনির ট্রাক আটকান। এ সময় চিনি চোরাকারবারিদের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়।’
জনি খান বলেন, ‘একপর্যায়ে ট্রাকটি নেত্রকোনার দিকে চলে যায়। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পরে আমরা ট্রাকটির পিছু ধাওয়া করি। রাজুর বাজার এলাকায় গেলে চোরাকারবারিদের লোকজন মোটরসাইকেলে করে এসে আমাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। তাতে সড়কে পড়ে গিয়ে আমরা তিনজন আহত হই। স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সাহারাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুল হক বলেন, নম্বরবিহীন একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করাসহ প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্ত চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. লুৎফুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
২ ঘণ্টা আগে