নাটোর প্রতিনিধি

নাটোর শহরের উপশহর মাঠে কর্মসূচি করা নিয়ে অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। দুই পক্ষই আগামীকাল শনিবার বিকেলে ওই মাঠে কর্মসূচি পালন করতে চায়। আগামীকাল বিকেলে ওই মাঠে কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়ে আজ সকালে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে। অন্য দিকে আওয়ামী লীগও আগামীকাল ওই মাঠেই শান্তি সমাবেশ করার কথা জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামীকাল শনিবার (১ এপ্রিল) শহরের উপশহর মাঠে এই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা অনেক আগে দেওয়া হয়েছিল। সেই কর্মসূচি ঠেকাতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ ডাকে। সন্ধ্যার পর এ নিয়ে মাইকিংও করা হয়। এরপর রাত ১১টার দিকে বিএনপির ইফতার মাহফিল মঞ্চও ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে মঞ্চ ভাঙা হলেও ওই মাঠেই অবস্থান ও ইফতার মাহফিলের কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে শনিবারের কর্মসূচির জন্য আগে থেকেই পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছে। ইফতার মাহফিল সম্পন্নের জন্য সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। এখন হঠাৎ করে একই স্থানে পাল্টা সমাবেশ ডেকেছে আওয়ামী লীগ। এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা। আবার আমাদের কর্মসূচি পালনে কোনো মিলনায়তন ভাড়া দেওয়া হয় না। দেয়ালে আমাদের পিঠ ঠেকে গেছে। তাই পূর্বনির্ধারিত স্থানে আমরা যথাসময়ে কর্মসূচি পালন করব।’
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশের কর্মসূচিও পূর্ব ঘোষিত। শুধু মাইকিং করা হয়েছে দুই দিন আগে। আওয়ামী লীগের কেউ মঞ্চ ভাঙচুর করেনি। আমাদের ধারণা, বিএনপি তাদের অনুষ্ঠানে লোকজন জমায়েত করতে ব্যর্থ হবে—এই আশঙ্কা থেকেই নিজেরাই মঞ্চ ভাঙচুর করেছে। আমরা শনিবার যথাসময়ে যথাস্থানে সমাবেশ শুরু করব৷’
এ নিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার বলেন, ‘দুই পক্ষের একই স্থানে সভা আহ্বানের বিষয়টি জেনেছি। পরিস্থিতি দেখে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।’
নাটোরের পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, ‘দুই পক্ষের একই স্থানে কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যা কিছু করণীয় সবই করা হবে।’

নাটোর শহরের উপশহর মাঠে কর্মসূচি করা নিয়ে অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। দুই পক্ষই আগামীকাল শনিবার বিকেলে ওই মাঠে কর্মসূচি পালন করতে চায়। আগামীকাল বিকেলে ওই মাঠে কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়ে আজ সকালে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে। অন্য দিকে আওয়ামী লীগও আগামীকাল ওই মাঠেই শান্তি সমাবেশ করার কথা জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামীকাল শনিবার (১ এপ্রিল) শহরের উপশহর মাঠে এই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা অনেক আগে দেওয়া হয়েছিল। সেই কর্মসূচি ঠেকাতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ ডাকে। সন্ধ্যার পর এ নিয়ে মাইকিংও করা হয়। এরপর রাত ১১টার দিকে বিএনপির ইফতার মাহফিল মঞ্চও ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে মঞ্চ ভাঙা হলেও ওই মাঠেই অবস্থান ও ইফতার মাহফিলের কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে শনিবারের কর্মসূচির জন্য আগে থেকেই পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছে। ইফতার মাহফিল সম্পন্নের জন্য সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। এখন হঠাৎ করে একই স্থানে পাল্টা সমাবেশ ডেকেছে আওয়ামী লীগ। এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা। আবার আমাদের কর্মসূচি পালনে কোনো মিলনায়তন ভাড়া দেওয়া হয় না। দেয়ালে আমাদের পিঠ ঠেকে গেছে। তাই পূর্বনির্ধারিত স্থানে আমরা যথাসময়ে কর্মসূচি পালন করব।’
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশের কর্মসূচিও পূর্ব ঘোষিত। শুধু মাইকিং করা হয়েছে দুই দিন আগে। আওয়ামী লীগের কেউ মঞ্চ ভাঙচুর করেনি। আমাদের ধারণা, বিএনপি তাদের অনুষ্ঠানে লোকজন জমায়েত করতে ব্যর্থ হবে—এই আশঙ্কা থেকেই নিজেরাই মঞ্চ ভাঙচুর করেছে। আমরা শনিবার যথাসময়ে যথাস্থানে সমাবেশ শুরু করব৷’
এ নিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার বলেন, ‘দুই পক্ষের একই স্থানে সভা আহ্বানের বিষয়টি জেনেছি। পরিস্থিতি দেখে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।’
নাটোরের পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, ‘দুই পক্ষের একই স্থানে কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যা কিছু করণীয় সবই করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে