লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

নতুন জনবল নিয়োগের পর জনবল পদায়নের মাধ্যমে নাটোরের লালপুরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত আজিমনগর রেলস্টেশন স্টেশনের কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন দুজন স্টেশন মাস্টার পদায়ন করা হয়েছে। টিকিট বিক্রি কার্যক্রম ও নির্ধারিত ট্রেনের যাত্রাবিরতি হচ্ছে। এতে খুশি এ অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত লালপুরে গোপালপুর রেলস্টেশন ১৮৭৯ সালে চালু হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৫ মে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল গণহত্যায় তৎকালীন প্রশাসক শহীদ লে. আনোয়ারুল আজিম শহীদ হন। তাঁর স্মরণে ১৯৭৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গোপালপুর রেলস্টেশনের নামকরণ করা হয় ‘আজিমনগর স্টেশন’।
জনবল সংকটের কারণে ২০১৩,২০১৭, ২০২০,২০২১ সালে ও সর্বশেষ পঞ্চমবারের মতো ২০২২ সালের ২২ আগস্ট স্টেশনের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর ৭ মাস পর গত ১১ মার্চ (শনিবার) আবার চালু করা হয়। এই স্টেশন দিয়ে আন্তনগর, মেইল, লোকাল ও মালবাহী ৬০টি ট্রেন প্রতিদিন যাতায়াত করে। ট্রেনে প্রতিদিন দেড় হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। এখানে স্টেশন মাস্টার দুইটি, পয়েন্টসম্যান তিনটি, পোর্টার দুইটি, বুকিং সহকারী ও গেটম্যান তিনটি পদ রয়েছে।
রেলওয়ে স্টেশন, ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেড় বছরে (১৮ মাস) উপজেলার রেলপথে দুর্ঘটনা ঘটেছে ২০ টি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন ১৬ জন ও আহত হয়েছেন একজন। এ ছাড়া লাইনচ্যুত দুইটি, ইঞ্জিনে আগুন একটি, বাকলিং একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ট্রেনে একটি সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, অ্যালার্ম চেইন পুলিং এবং রেলপথে নাশকতা প্রতিরোধে একটি সভা করেছেন।
নতুন স্টেশন মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান নয়ন বলেন, ‘জনবল সংকটের কারণে দীর্ঘ ৭ মাস স্টেশন মাস্টারের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত শনিবার (১১ মার্চ) দুজন স্টেশন মাস্টার পদায়ন করে কার্যক্রম চালু রাখার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে যাত্রী ছাউনিসহ স্টেশনকে আলোকিত করা হয়েছে। যাত্রী নিরাপত্তায় পৌরসভা থেকে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।’
গোপালপুর পৌরসভার মেয়র রোকসানা মোর্ত্তজা লিলি বলেন, ‘দুর্ঘটনা এড়াতে স্টেশনের কার্যক্রম চালু, রেলস্টেশনের ২০০ মিটার পশ্চিমে রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং ও ওভারপাস অথবা আন্ডারপাস নির্মাণ এবং স্টেশন এলাকার দুপাশে নিরাপত্তা কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গত ২ মার্চ ২০২৩ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। স্টেশন মাস্টার পদায়নসহ স্টেশনের কার্যক্রম পুনরায় চালু করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিম) রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘জনবল সংকটের কারণে আজিমনগর স্টেশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম গত বছর ২২ আগস্ট বন্ধ করা হয়। নতুন জনবল নিয়োগের পর জনবল পদায়নের মাধ্যমে পুনরায় কার্যক্রম চালু হয়েছে।’

নতুন জনবল নিয়োগের পর জনবল পদায়নের মাধ্যমে নাটোরের লালপুরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত আজিমনগর রেলস্টেশন স্টেশনের কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন দুজন স্টেশন মাস্টার পদায়ন করা হয়েছে। টিকিট বিক্রি কার্যক্রম ও নির্ধারিত ট্রেনের যাত্রাবিরতি হচ্ছে। এতে খুশি এ অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত লালপুরে গোপালপুর রেলস্টেশন ১৮৭৯ সালে চালু হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৫ মে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল গণহত্যায় তৎকালীন প্রশাসক শহীদ লে. আনোয়ারুল আজিম শহীদ হন। তাঁর স্মরণে ১৯৭৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গোপালপুর রেলস্টেশনের নামকরণ করা হয় ‘আজিমনগর স্টেশন’।
জনবল সংকটের কারণে ২০১৩,২০১৭, ২০২০,২০২১ সালে ও সর্বশেষ পঞ্চমবারের মতো ২০২২ সালের ২২ আগস্ট স্টেশনের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর ৭ মাস পর গত ১১ মার্চ (শনিবার) আবার চালু করা হয়। এই স্টেশন দিয়ে আন্তনগর, মেইল, লোকাল ও মালবাহী ৬০টি ট্রেন প্রতিদিন যাতায়াত করে। ট্রেনে প্রতিদিন দেড় হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। এখানে স্টেশন মাস্টার দুইটি, পয়েন্টসম্যান তিনটি, পোর্টার দুইটি, বুকিং সহকারী ও গেটম্যান তিনটি পদ রয়েছে।
রেলওয়ে স্টেশন, ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেড় বছরে (১৮ মাস) উপজেলার রেলপথে দুর্ঘটনা ঘটেছে ২০ টি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন ১৬ জন ও আহত হয়েছেন একজন। এ ছাড়া লাইনচ্যুত দুইটি, ইঞ্জিনে আগুন একটি, বাকলিং একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ট্রেনে একটি সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, অ্যালার্ম চেইন পুলিং এবং রেলপথে নাশকতা প্রতিরোধে একটি সভা করেছেন।
নতুন স্টেশন মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান নয়ন বলেন, ‘জনবল সংকটের কারণে দীর্ঘ ৭ মাস স্টেশন মাস্টারের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত শনিবার (১১ মার্চ) দুজন স্টেশন মাস্টার পদায়ন করে কার্যক্রম চালু রাখার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে যাত্রী ছাউনিসহ স্টেশনকে আলোকিত করা হয়েছে। যাত্রী নিরাপত্তায় পৌরসভা থেকে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।’
গোপালপুর পৌরসভার মেয়র রোকসানা মোর্ত্তজা লিলি বলেন, ‘দুর্ঘটনা এড়াতে স্টেশনের কার্যক্রম চালু, রেলস্টেশনের ২০০ মিটার পশ্চিমে রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং ও ওভারপাস অথবা আন্ডারপাস নির্মাণ এবং স্টেশন এলাকার দুপাশে নিরাপত্তা কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গত ২ মার্চ ২০২৩ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। স্টেশন মাস্টার পদায়নসহ স্টেশনের কার্যক্রম পুনরায় চালু করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিম) রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘জনবল সংকটের কারণে আজিমনগর স্টেশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম গত বছর ২২ আগস্ট বন্ধ করা হয়। নতুন জনবল নিয়োগের পর জনবল পদায়নের মাধ্যমে পুনরায় কার্যক্রম চালু হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে