বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় ৩০ কেজি গাঁজা জব্দের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, ৩০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হলেও পুলিশ জব্দ দেখিয়েছে মাত্র সাত কেজি। এ ঘটনায় বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই আব্দুর রাজ্জাককে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের ছাতিয়ানগাছা মোল্লাপাড়া মোড় থেকে গাঁজাসহ একটি কাভার্ড ভ্যান ও একজনকে আটক করে স্থানীয় জনতা। এ সময় আরও দুজন পালিয়ে যান। গ্রামবাসী পুলিশে খবর দিলে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই আব্দুর রাজ্জাক ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
প্রত্যক্ষদর্শী ছাতিয়ানগাছা গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী একটি নীল রঙের কাভার্ড ভ্যান থেকে দুজন লোককে একটি বড় পলি বস্তা নামাতে দেখেন। চোর সন্দেহে ধাওয়া দিলে তাঁরা বস্তা ফেলে পালিয়ে যান। কিন্তু কাভার্ড ভ্যানসহ চালককে গ্রামবাসী আটক করেন। পরে পুলিশ এসে গাঁজা ও কাভার্ড ভ্যান জব্দ করে এবং চালককে গ্রেপ্তার করে।
ওই গ্রামের আরও এক বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিজেরা ১৪টি পলিথিনের ব্যাগভর্তি গাঁজা পুলিশকে দিয়েছি। প্রতিটি ব্যাগে কমপক্ষে ২ কেজি করে গাঁজা ছিল, সে হিসাবে ২৮ কেজির কম হবে না। আমরা দাঁড়িপাল্লা এনে মাপতে চাইলে পুলিশ তাতে রাজি হয়নি।’
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এসআই আব্দুর রাজ্জাক জনসম্মুখে বস্তা খুলে ১৪টি প্যাকেট গুণে গুণে জব্দ করলেও পরে মামলার নথিতে মাত্র সাত কেজি গাঁজা উদ্ধারের কথা উল্লেখ করেন। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকে) ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে জব্দ করা ও মামলার তথ্যের অমিল পাওয়া যাওয়ায় এসআই আব্দুর রাজ্জাককে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়।
এ ঘটনায় বড়াইগ্রাম থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আসামিরা হলেন লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার সিংগাদার গ্রামের রশিদ মণ্ডলের ছেলে সায়েম মণ্ডল (৩৪), উপজেলার ছাতিয়ানগাছা গ্রামের পিয়ার আলীর ছেলে আশরাফ আলী (৪৫) ও লালপুরের গোধরা গ্রামের কৈয়রা প্রামাণিকের ছেলে ফয়েজুল্লাহ প্রামাণিক (৪৮)।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন জানান, কাভার্ড ভ্যানচালককে নাটোর আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বড়াইগ্রাম সার্কেল শোভন চন্দ্র হোড় বলেন, প্রাথমিক তদন্তে উদ্ধার ও জব্দ করা গাঁজার মিল না থাকায় তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও খবর পড়ুন:

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় ৩০ কেজি গাঁজা জব্দের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, ৩০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হলেও পুলিশ জব্দ দেখিয়েছে মাত্র সাত কেজি। এ ঘটনায় বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই আব্দুর রাজ্জাককে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের ছাতিয়ানগাছা মোল্লাপাড়া মোড় থেকে গাঁজাসহ একটি কাভার্ড ভ্যান ও একজনকে আটক করে স্থানীয় জনতা। এ সময় আরও দুজন পালিয়ে যান। গ্রামবাসী পুলিশে খবর দিলে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই আব্দুর রাজ্জাক ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
প্রত্যক্ষদর্শী ছাতিয়ানগাছা গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী একটি নীল রঙের কাভার্ড ভ্যান থেকে দুজন লোককে একটি বড় পলি বস্তা নামাতে দেখেন। চোর সন্দেহে ধাওয়া দিলে তাঁরা বস্তা ফেলে পালিয়ে যান। কিন্তু কাভার্ড ভ্যানসহ চালককে গ্রামবাসী আটক করেন। পরে পুলিশ এসে গাঁজা ও কাভার্ড ভ্যান জব্দ করে এবং চালককে গ্রেপ্তার করে।
ওই গ্রামের আরও এক বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিজেরা ১৪টি পলিথিনের ব্যাগভর্তি গাঁজা পুলিশকে দিয়েছি। প্রতিটি ব্যাগে কমপক্ষে ২ কেজি করে গাঁজা ছিল, সে হিসাবে ২৮ কেজির কম হবে না। আমরা দাঁড়িপাল্লা এনে মাপতে চাইলে পুলিশ তাতে রাজি হয়নি।’
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এসআই আব্দুর রাজ্জাক জনসম্মুখে বস্তা খুলে ১৪টি প্যাকেট গুণে গুণে জব্দ করলেও পরে মামলার নথিতে মাত্র সাত কেজি গাঁজা উদ্ধারের কথা উল্লেখ করেন। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকে) ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে জব্দ করা ও মামলার তথ্যের অমিল পাওয়া যাওয়ায় এসআই আব্দুর রাজ্জাককে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়।
এ ঘটনায় বড়াইগ্রাম থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আসামিরা হলেন লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার সিংগাদার গ্রামের রশিদ মণ্ডলের ছেলে সায়েম মণ্ডল (৩৪), উপজেলার ছাতিয়ানগাছা গ্রামের পিয়ার আলীর ছেলে আশরাফ আলী (৪৫) ও লালপুরের গোধরা গ্রামের কৈয়রা প্রামাণিকের ছেলে ফয়েজুল্লাহ প্রামাণিক (৪৮)।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন জানান, কাভার্ড ভ্যানচালককে নাটোর আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বড়াইগ্রাম সার্কেল শোভন চন্দ্র হোড় বলেন, প্রাথমিক তদন্তে উদ্ধার ও জব্দ করা গাঁজার মিল না থাকায় তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও খবর পড়ুন:

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে