লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের লালপুরে শ্বশুরবাড়ি এসে রাস্তা পারাপরের সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শামসুল আলম (৫২) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে লালপুর-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কের ঈশ্বরদী ইউনিয়নের গৌরীপুর মাসুমের মোড় নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রঞ্জু জানান, নিহত শামসুল আলম পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া গোপালপুরের বাসিন্দা তিনি ঈশ্বরদী পৌর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
নিহতের শ্যালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শামসুল আলম তাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাসুমের মোড়ের চায়ের দোকানে চা পান করে বাড়িতে আসার জন্য ইয়াছিন আলীর বাড়ির নিকটে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় পালিদেহা থেকে গৌরীপুরগামী একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মাহমুদুর রহমান সাগর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।’
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহম্মেদ বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলের চালক পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
একই দিন সকাল পৌনে ৭টার দিকে বানেশ্বর-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার দক্ষিণ লালপুর এলাকায় মৃত আত্মীয়কে দেখতে যাওয়ার পথে ঘন কুয়াশায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভটভটি উল্টে একই এলাকার চান্দু মোল্লা (৬২) ও তাঁর স্ত্রী আরবী বেগম (৪৫) নিহত হন। এ ছাড়া ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পাবনা-বনপাড়া সড়কে উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নের গোধরা গ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন।

নাটোরের লালপুরে শ্বশুরবাড়ি এসে রাস্তা পারাপরের সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শামসুল আলম (৫২) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে লালপুর-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কের ঈশ্বরদী ইউনিয়নের গৌরীপুর মাসুমের মোড় নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রঞ্জু জানান, নিহত শামসুল আলম পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া গোপালপুরের বাসিন্দা তিনি ঈশ্বরদী পৌর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
নিহতের শ্যালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শামসুল আলম তাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাসুমের মোড়ের চায়ের দোকানে চা পান করে বাড়িতে আসার জন্য ইয়াছিন আলীর বাড়ির নিকটে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় পালিদেহা থেকে গৌরীপুরগামী একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মাহমুদুর রহমান সাগর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।’
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহম্মেদ বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলের চালক পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
একই দিন সকাল পৌনে ৭টার দিকে বানেশ্বর-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার দক্ষিণ লালপুর এলাকায় মৃত আত্মীয়কে দেখতে যাওয়ার পথে ঘন কুয়াশায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভটভটি উল্টে একই এলাকার চান্দু মোল্লা (৬২) ও তাঁর স্ত্রী আরবী বেগম (৪৫) নিহত হন। এ ছাড়া ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পাবনা-বনপাড়া সড়কে উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নের গোধরা গ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে