সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিছু লোক পায়ে পাড়া দিয়ে নারায়ণগঞ্জকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান। আজ রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ভুঁইগড়ের রূপায়ণ টাওয়ার এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শামীম ওসমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্লোগান দিতেন—“তোমার-আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা”। তখন আমি ছোট ছিলাম। আর যখন যুদ্ধ শুরু হলো, তখন স্লোগান ছিল—“বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো”। আজও আমাদের এই স্লোগান দিতে হচ্ছে। এটি আমাদের জন্য দুঃখজনক বিষয়। এখন আমাদের স্লোগান দিতে হচ্ছে, “বীর বাঙালি ঐক্য ধরো, বাংলাদেশ রক্ষা করো”।’
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে জানা গেছে, আমাদের দেশের স্বাধীনতার ওপর আবারও হস্তক্ষেপ চলছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মনে করি, বর্তমানে যেসব জীবিত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সম্মেলন হোক। এই সম্মেলনে তাঁরা এবং তাঁদের পরিবার যখন উপস্থিত হবে, তখন পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারবেন, তাঁদের বাবা কিংবা পূর্বপুরুষেরা এই দেশের জন্য কত আত্মত্যাগ করেছিলেন।’
আলোচিত এই রাজনীতিক বলেন, ‘একটা দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীন করার পর আমরা রাজনীতিবিদেরা যত কিছুই করি না কেন, তাঁদের (মুক্তিযোদ্ধা) সমতুল্য হতে পারব না। সরকারের কাছে আমরা এই প্রস্তাব দিয়েছি এবং নারায়ণগঞ্জেও এমন একটি সম্মেলন করার চিন্তাভাবনা করছি। নারায়ণগঞ্জের যাঁরা মুক্তিযোদ্ধা আছেন, তাঁরা যেদিন বলবেন সেদিনই আমরা এই সম্মেলন করব। এমনিতে ইতিহাস পড়া আর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে ইতিহাস শোনা আরেক জিনিস।’
নারায়ণগঞ্জের মাসদাইরে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি এ ঘটনা বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি এবং পুলিশ সুপারকে জড়িতদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছি। আমার ছবি ভেঙেছে তাতে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু আমাদের জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভেঙেছে। এই ছবিগুলো কারা ভেঙেছে কিংবা কারা এগুলোর উসকানি দিতে পারে তা সবাই জানে। জনগণ হচ্ছে রাষ্ট্রের মালিক। যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারে, তাহলে জনগণকে নিয়ে এটি প্রতিরোধ করা আমাদের জন্য পাঁচ মিনিটের ব্যাপার।’

কিছু লোক পায়ে পাড়া দিয়ে নারায়ণগঞ্জকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান। আজ রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ভুঁইগড়ের রূপায়ণ টাওয়ার এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শামীম ওসমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্লোগান দিতেন—“তোমার-আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা”। তখন আমি ছোট ছিলাম। আর যখন যুদ্ধ শুরু হলো, তখন স্লোগান ছিল—“বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো”। আজও আমাদের এই স্লোগান দিতে হচ্ছে। এটি আমাদের জন্য দুঃখজনক বিষয়। এখন আমাদের স্লোগান দিতে হচ্ছে, “বীর বাঙালি ঐক্য ধরো, বাংলাদেশ রক্ষা করো”।’
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে জানা গেছে, আমাদের দেশের স্বাধীনতার ওপর আবারও হস্তক্ষেপ চলছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মনে করি, বর্তমানে যেসব জীবিত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সম্মেলন হোক। এই সম্মেলনে তাঁরা এবং তাঁদের পরিবার যখন উপস্থিত হবে, তখন পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারবেন, তাঁদের বাবা কিংবা পূর্বপুরুষেরা এই দেশের জন্য কত আত্মত্যাগ করেছিলেন।’
আলোচিত এই রাজনীতিক বলেন, ‘একটা দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীন করার পর আমরা রাজনীতিবিদেরা যত কিছুই করি না কেন, তাঁদের (মুক্তিযোদ্ধা) সমতুল্য হতে পারব না। সরকারের কাছে আমরা এই প্রস্তাব দিয়েছি এবং নারায়ণগঞ্জেও এমন একটি সম্মেলন করার চিন্তাভাবনা করছি। নারায়ণগঞ্জের যাঁরা মুক্তিযোদ্ধা আছেন, তাঁরা যেদিন বলবেন সেদিনই আমরা এই সম্মেলন করব। এমনিতে ইতিহাস পড়া আর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে ইতিহাস শোনা আরেক জিনিস।’
নারায়ণগঞ্জের মাসদাইরে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি এ ঘটনা বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি এবং পুলিশ সুপারকে জড়িতদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছি। আমার ছবি ভেঙেছে তাতে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু আমাদের জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভেঙেছে। এই ছবিগুলো কারা ভেঙেছে কিংবা কারা এগুলোর উসকানি দিতে পারে তা সবাই জানে। জনগণ হচ্ছে রাষ্ট্রের মালিক। যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারে, তাহলে জনগণকে নিয়ে এটি প্রতিরোধ করা আমাদের জন্য পাঁচ মিনিটের ব্যাপার।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে