ঢামেক প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টিল মিলে বিস্ফোরণের ঘটনায় চিকিৎসাধীন দগ্ধ ইলিয়াস আলীর (৩৫) পর মারা গেছেন নিয়ন (৩০) নামে আরও এক শ্রমিক। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মৃত্যু হয় নিয়নের। এ নিয়ে বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হলো।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি জানান, ‘নিয়নের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মারা যান।’
মৃত নিয়নের মামা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নিয়নের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আহমদ আলী। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় থাকত। বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে সে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ৯৮ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় মারা যান ইলিয়াস আলী। এ ছাড়া শংকর (৪০) নামে একজনের হাসপাতালে আনার পথে মৃত্যু হয়। মৃতদেহগুলো মর্গে রাখা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার গাউছিয়ার সাউঘাট এলাকার আরআইসিএল স্টিল মিলে লোহা গলানোর ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে গলিত তরল শ্রমিকদের ওপর ছিটকে পড়লে গুরুতর দগ্ধ হন সাতজন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন চারজন। তাঁদের মধ্যে ৯৭ শতাংশ দগ্ধ জুয়েল, ৯৫ শতাংশ রাব্বি, ২৮ শতাংশ ইব্রাহিম ও ৯০ শতাংশ দগ্ধ আলমগীর। তাঁদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা।
মিলের সুপারভাইজার হারুন উর রশিদ জানান, শ্রমিকেরা কারখানায় ভাট্টিতে লোহা গলানোর কাজ করছিলেন। ভাট্টির আশপাশে ১৫-১৬ জন শ্রমিকে ছিলেন। হঠাৎ করেই ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়ে গলিত লোহা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দগ্ধ হন শ্রমিকেরা। উদ্ধার করে সঙ্গে সঙ্গে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয় তাঁদের।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টিল মিলে বিস্ফোরণের ঘটনায় চিকিৎসাধীন দগ্ধ ইলিয়াস আলীর (৩৫) পর মারা গেছেন নিয়ন (৩০) নামে আরও এক শ্রমিক। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মৃত্যু হয় নিয়নের। এ নিয়ে বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হলো।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি জানান, ‘নিয়নের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মারা যান।’
মৃত নিয়নের মামা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নিয়নের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আহমদ আলী। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় থাকত। বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে সে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ৯৮ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় মারা যান ইলিয়াস আলী। এ ছাড়া শংকর (৪০) নামে একজনের হাসপাতালে আনার পথে মৃত্যু হয়। মৃতদেহগুলো মর্গে রাখা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার গাউছিয়ার সাউঘাট এলাকার আরআইসিএল স্টিল মিলে লোহা গলানোর ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে গলিত তরল শ্রমিকদের ওপর ছিটকে পড়লে গুরুতর দগ্ধ হন সাতজন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন চারজন। তাঁদের মধ্যে ৯৭ শতাংশ দগ্ধ জুয়েল, ৯৫ শতাংশ রাব্বি, ২৮ শতাংশ ইব্রাহিম ও ৯০ শতাংশ দগ্ধ আলমগীর। তাঁদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা।
মিলের সুপারভাইজার হারুন উর রশিদ জানান, শ্রমিকেরা কারখানায় ভাট্টিতে লোহা গলানোর কাজ করছিলেন। ভাট্টির আশপাশে ১৫-১৬ জন শ্রমিকে ছিলেন। হঠাৎ করেই ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়ে গলিত লোহা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দগ্ধ হন শ্রমিকেরা। উদ্ধার করে সঙ্গে সঙ্গে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয় তাঁদের।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে