জামালপুর প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও তাঁর পরিবার সম্পর্কে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ। গত শনিবার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ স্বাক্ষরিত ওই চিঠির একটি কপি গণমাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।
তবে, এখনো কোনো চিঠি পাননি বলে জানান আওয়ামী লীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপি। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এখনো চিঠি পায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। আমি সংগঠনের বিষয়ে কথা বলব না। হুমকি-ধমকি দিয়ে সংগঠনকে পকেটে রাখতে চায়। এটা সাংগঠনিক ক্রাইম করেছে। এ ব্যাপারে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিচার চাইব।’
চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম সম্পর্কে অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং তাঁর মরহুম পিতা-মাতা এবং পরিবার-পরিজন সম্পর্কে অশালীন বক্তব্য প্রদান করেছেন, যা আওয়ামী লীগের জেলা শাখার সদস্য পদে থেকে আপনার (মারুফা আক্তার পপি) এই ধরনের বক্তব্য অসাংগঠনিক, বিভ্রান্তিকর, সংগঠনের সার্বিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এহেন ভূমিকা গ্রহণযোগ্য নয়। সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে উপরিউক্ত বক্তব্য ও ফেসবুকে স্ট্যাটাসসমূহের উপযুক্ত ব্যাখ্যা সাত দিনের মধ্যে প্রদানের জন্য বলা হয়েছে।
এর আগে ২০ নভেম্বর জামালপুর শহরের মির্জা আজম মিলনায়তনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি মতবিনিময় সভা হয়। এতে জামালপুর-৫ (সদর) আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদকে পরিচয় করিয়ে দেন সভার প্রধান অতিথি মির্জা আজম এমপি।
সভায় নেতাদের বক্তব্য শেষে মারুফা আক্তার পপি দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে চাইলে সে সময় মির্জা আজম তাঁকে বসতে বলেন। কয়েকবার বসার জন্য বললেও তিনি স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় মির্জা আজম এমপি তাঁকে ধমক দেন। এই ঘটনার পর মারুফা আক্তার পপির সমর্থকেরা পরদিন (২১ নভেম্বর) সদর উপজেলার নান্দিনা, তিতপল্লা ও বারুয়ামারিতে মানববন্ধন করেন।
এরপর আওয়ামী লীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপি নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, পাথর গলানো স্পর্শ: আমার মেয়ে মাদিবা ময়ানী, ২ দিন যাবৎ লক্ষ্য করছি, আমার প্রতি ওর আচরণ খুবই সংবেদনশীল, ঘুম থেকে জেগেই আমার গলা জড়িয়ে ধরছে, ও কিছু খাবার সময় একটু খাও বলে জোর করে আমার মুখে খাবার তুলে দিচ্ছে, কখনো পেছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলছে ‘আমার মা...! আমার মা.......... .
আজকে স্কুলে যাওয়ার পথে জিজ্ঞেসই করে ফেলল-‘মা, ওই লোকটা তোমাকে এমন করে ধমকাচ্ছিল কেন?’ আমি কিছুক্ষণ ওর দিকে স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলাম, হেরে গেলাম ওর কাছে, চোখে পানি চলে এল নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না! বললাম, ভালো মানুষগুলো আমাকে ভালোবাসে তো এটা হয়তো অনেকের সহ্য হয় না.... ।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন ছানু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মারুফা আক্তার পপির পত্রটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে তাঁর রাজধানী বাসার ঠিকানায় পাঠিয়েছি। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছেও পাঠানো হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা না পেলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও তাঁর পরিবার সম্পর্কে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ। গত শনিবার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ স্বাক্ষরিত ওই চিঠির একটি কপি গণমাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।
তবে, এখনো কোনো চিঠি পাননি বলে জানান আওয়ামী লীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপি। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এখনো চিঠি পায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। আমি সংগঠনের বিষয়ে কথা বলব না। হুমকি-ধমকি দিয়ে সংগঠনকে পকেটে রাখতে চায়। এটা সাংগঠনিক ক্রাইম করেছে। এ ব্যাপারে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিচার চাইব।’
চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম সম্পর্কে অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং তাঁর মরহুম পিতা-মাতা এবং পরিবার-পরিজন সম্পর্কে অশালীন বক্তব্য প্রদান করেছেন, যা আওয়ামী লীগের জেলা শাখার সদস্য পদে থেকে আপনার (মারুফা আক্তার পপি) এই ধরনের বক্তব্য অসাংগঠনিক, বিভ্রান্তিকর, সংগঠনের সার্বিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এহেন ভূমিকা গ্রহণযোগ্য নয়। সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে উপরিউক্ত বক্তব্য ও ফেসবুকে স্ট্যাটাসসমূহের উপযুক্ত ব্যাখ্যা সাত দিনের মধ্যে প্রদানের জন্য বলা হয়েছে।
এর আগে ২০ নভেম্বর জামালপুর শহরের মির্জা আজম মিলনায়তনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি মতবিনিময় সভা হয়। এতে জামালপুর-৫ (সদর) আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদকে পরিচয় করিয়ে দেন সভার প্রধান অতিথি মির্জা আজম এমপি।
সভায় নেতাদের বক্তব্য শেষে মারুফা আক্তার পপি দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে চাইলে সে সময় মির্জা আজম তাঁকে বসতে বলেন। কয়েকবার বসার জন্য বললেও তিনি স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় মির্জা আজম এমপি তাঁকে ধমক দেন। এই ঘটনার পর মারুফা আক্তার পপির সমর্থকেরা পরদিন (২১ নভেম্বর) সদর উপজেলার নান্দিনা, তিতপল্লা ও বারুয়ামারিতে মানববন্ধন করেন।
এরপর আওয়ামী লীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপি নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, পাথর গলানো স্পর্শ: আমার মেয়ে মাদিবা ময়ানী, ২ দিন যাবৎ লক্ষ্য করছি, আমার প্রতি ওর আচরণ খুবই সংবেদনশীল, ঘুম থেকে জেগেই আমার গলা জড়িয়ে ধরছে, ও কিছু খাবার সময় একটু খাও বলে জোর করে আমার মুখে খাবার তুলে দিচ্ছে, কখনো পেছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলছে ‘আমার মা...! আমার মা.......... .
আজকে স্কুলে যাওয়ার পথে জিজ্ঞেসই করে ফেলল-‘মা, ওই লোকটা তোমাকে এমন করে ধমকাচ্ছিল কেন?’ আমি কিছুক্ষণ ওর দিকে স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলাম, হেরে গেলাম ওর কাছে, চোখে পানি চলে এল নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না! বললাম, ভালো মানুষগুলো আমাকে ভালোবাসে তো এটা হয়তো অনেকের সহ্য হয় না.... ।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন ছানু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মারুফা আক্তার পপির পত্রটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে তাঁর রাজধানী বাসার ঠিকানায় পাঠিয়েছি। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছেও পাঠানো হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা না পেলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ বছর মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ২ লাখ ৭২ হাজার ৬২৬ জন। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ১৫ হাজার ৫১৫ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৩০ হাজার ৮৮৮ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ১ লাখ ২৬ হাজার ২২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। তিন ইউনিট মিলিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন প্রায় ৬৮ হাজার ৪৯০ জন পরীক্ষার্থী।
১০ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ ও পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামের এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে