নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নকলায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান সাজু সাইদ ছিদ্দিকী এবং আনারস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. কামরুজ্জামানের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে বাছুরআলগা গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে বুলবুল মিয়া (২৮), মৃত সমশের মিয়ার ছেলে আব্দুল মান্নান (৭০), নেওয়াজ আলী (৫৫), রফিকুল ইসলামের ছেলে মঞ্জু মিয়া (৩০), সাজন মিয়ার ছেলে শিপু মিয়া (২৫), হাসান আলীর ছেলে মেহেরুল্লাহ (৪০) এবং আনারস প্রতীকের চন্দ্রকোনা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে উৎসব মিয়া (২১), চর বাছুরআলগী গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৪০) ও শেরপুর সদর উপজেলার রৌহা গ্রামের সোজা মিয়ার ছেলে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের গাড়িচালক রঞ্জু মিয়াকে (২৬) নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গাড়িচালক রঞ্জু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে চন্দ্রকোনা থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামানের ভাবি সালমা বেগম (৫০) ১৫-২০ জন নারীকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাজু সাইদ ছিদ্দিকীর বাছুরআলগা গ্রামের দড়িপাড়ায় যান। এ সময় নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকেরা বিবাদে জড়িয়ে পড়লে তাঁদের সামনেই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের ছবিসংবলিত পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং মারধর করে একটি ঘরে আটকে রাখে। এ সময় সালমা ইসলাম ও গাড়িচালক রঞ্জু মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে চন্দ্রকোনা বাজারে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের বড় ভাই রফিকুল ইসলাম (৬০) ও ভাতিজা উচ্ছ্বাসসহ উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আব্দুল হান্নান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমানসহ নকলা থানা ও চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা দ্রুত সেখানে হাজির হয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সাজু সাইদ ছিদ্দিকী বলেন, `বাছুরআলগা গ্রামের দড়িপাড়ার ঘটনার সময় কোনো পুরুষ মানুষ বাড়িতে ছিল না। নারীদের মধ্যে নির্বাচনী বিষয়াদি নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। এ জন্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের লোকজন ইট-পাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে চন্দ্রকোনা বাজারে আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরসহ লোকজনকে পিটিয়ে আহত করেছে।'
বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামান বলেন, `বাছুরআলগা গ্রামের দড়িপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারে যাওয়া আমার মহিলা কর্মী-সমর্থকদের সামনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাজু সাইদ ছিদ্দিকীর লোকজন আমার ছবিসংবলিত নির্বাচনী পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং তাঁদের পিটিয়ে আহত করে ঘরে আটকে রাখে। এ ছাড়া তাঁরা জোটবদ্ধ হয়ে চন্দ্রকোনা বাজারে ইটপাটকেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে আমার কর্মী-সমর্থকদের আহত করেছে।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ সার্বিক পরিস্থিতি নজরদারি করা হচ্ছে। তবে ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

শেরপুরের নকলায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান সাজু সাইদ ছিদ্দিকী এবং আনারস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. কামরুজ্জামানের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে বাছুরআলগা গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে বুলবুল মিয়া (২৮), মৃত সমশের মিয়ার ছেলে আব্দুল মান্নান (৭০), নেওয়াজ আলী (৫৫), রফিকুল ইসলামের ছেলে মঞ্জু মিয়া (৩০), সাজন মিয়ার ছেলে শিপু মিয়া (২৫), হাসান আলীর ছেলে মেহেরুল্লাহ (৪০) এবং আনারস প্রতীকের চন্দ্রকোনা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে উৎসব মিয়া (২১), চর বাছুরআলগী গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৪০) ও শেরপুর সদর উপজেলার রৌহা গ্রামের সোজা মিয়ার ছেলে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের গাড়িচালক রঞ্জু মিয়াকে (২৬) নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গাড়িচালক রঞ্জু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে চন্দ্রকোনা থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামানের ভাবি সালমা বেগম (৫০) ১৫-২০ জন নারীকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাজু সাইদ ছিদ্দিকীর বাছুরআলগা গ্রামের দড়িপাড়ায় যান। এ সময় নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকেরা বিবাদে জড়িয়ে পড়লে তাঁদের সামনেই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের ছবিসংবলিত পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং মারধর করে একটি ঘরে আটকে রাখে। এ সময় সালমা ইসলাম ও গাড়িচালক রঞ্জু মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে চন্দ্রকোনা বাজারে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের বড় ভাই রফিকুল ইসলাম (৬০) ও ভাতিজা উচ্ছ্বাসসহ উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আব্দুল হান্নান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমানসহ নকলা থানা ও চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা দ্রুত সেখানে হাজির হয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সাজু সাইদ ছিদ্দিকী বলেন, `বাছুরআলগা গ্রামের দড়িপাড়ার ঘটনার সময় কোনো পুরুষ মানুষ বাড়িতে ছিল না। নারীদের মধ্যে নির্বাচনী বিষয়াদি নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। এ জন্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামানের লোকজন ইট-পাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে চন্দ্রকোনা বাজারে আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরসহ লোকজনকে পিটিয়ে আহত করেছে।'
বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামান বলেন, `বাছুরআলগা গ্রামের দড়িপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারে যাওয়া আমার মহিলা কর্মী-সমর্থকদের সামনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাজু সাইদ ছিদ্দিকীর লোকজন আমার ছবিসংবলিত নির্বাচনী পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং তাঁদের পিটিয়ে আহত করে ঘরে আটকে রাখে। এ ছাড়া তাঁরা জোটবদ্ধ হয়ে চন্দ্রকোনা বাজারে ইটপাটকেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে আমার কর্মী-সমর্থকদের আহত করেছে।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ সার্বিক পরিস্থিতি নজরদারি করা হচ্ছে। তবে ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে বোরো ধান রক্ষার প্রধান ভরসা হাওর রক্ষা বাঁধ। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও জেলার বেশির ভাগ হাওরে এই বাঁধের কাজ এখনো শুরু হয়নি। কোথাও কাজের কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই, কোথাও আবার প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিও (পিআইসি) গঠন শেষ হয়নি। এতে সময়মতো কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থান
৬ ঘণ্টা আগে