নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

নান্দাইলের সেই বৃদ্ধ ভিক্ষুক দম্পতিকে সহায়তা দিয়েছেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল মনসুর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ বাস ভবনের সামনে ঈদসামগ্রী দেন তিনি। সহায়তার মধ্যে ছিল ২০ কেজি চাল, দুই কেজি তেল, দুই কেজি চিনি, দুই প্যাকেট দুধ, দুই প্যাকেট সেমাই, দুই প্যাকেট নুডলস ও এক হাজার টাকা।
তা ছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এক কেজি চিনি, এক কেজি তেল, এক প্যাকেট সেমাই, এক প্যাকেট দুধ, একটি ফার্মের মুরগি ও মসলা দেওয়া হয়। এদিকে গরুর মাংস খেতে চাওয়ায় বৃদ্ধাকে সোহাগ আকন্দ নামে এক ব্যক্তি এক কেজি গরুর মাংস ও নগদ কিছু টাকা প্রদান করেন।
গতকাল বুধবার আজকের পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে ‘স্বামীডারে লইয়া ভিক্ষা কইরা জীবনডা আর চলে না’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর ইউএনওসহ বেশ কয়েক ব্যক্তি ও সংগঠন ওই দম্পতিকে সহায়তায় এগিয়ে আসে।
গতকাল দুপুরে উপজেলা পরিষদের মসজিদের সামনে নিজেদের অসহায়ত্বের কথাগুলো আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিকে বলেন আবাল হোসেন (৮৮) ও সোলেমা বেগম (৬৬) দম্পতি। সোলেমা বেগম বলেন, ‘স্বামীডা আমার পঙ্গু। হুইলচেয়ারে কইরা রইদের (রোদ) মধ্যে ঘুরতাছি পাঁচ-দশ টাকার জন্য। রোজা থাইকা আর পারি না বাবা। জীবনডা আর চলে না। গরিবের কষ্ট কেউ দেহে না। এই রোজায় একটু দুধ, মাংস আমার কপালে জুটল না।’

নান্দাইলের সেই বৃদ্ধ ভিক্ষুক দম্পতিকে সহায়তা দিয়েছেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল মনসুর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ বাস ভবনের সামনে ঈদসামগ্রী দেন তিনি। সহায়তার মধ্যে ছিল ২০ কেজি চাল, দুই কেজি তেল, দুই কেজি চিনি, দুই প্যাকেট দুধ, দুই প্যাকেট সেমাই, দুই প্যাকেট নুডলস ও এক হাজার টাকা।
তা ছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এক কেজি চিনি, এক কেজি তেল, এক প্যাকেট সেমাই, এক প্যাকেট দুধ, একটি ফার্মের মুরগি ও মসলা দেওয়া হয়। এদিকে গরুর মাংস খেতে চাওয়ায় বৃদ্ধাকে সোহাগ আকন্দ নামে এক ব্যক্তি এক কেজি গরুর মাংস ও নগদ কিছু টাকা প্রদান করেন।
গতকাল বুধবার আজকের পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে ‘স্বামীডারে লইয়া ভিক্ষা কইরা জীবনডা আর চলে না’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর ইউএনওসহ বেশ কয়েক ব্যক্তি ও সংগঠন ওই দম্পতিকে সহায়তায় এগিয়ে আসে।
গতকাল দুপুরে উপজেলা পরিষদের মসজিদের সামনে নিজেদের অসহায়ত্বের কথাগুলো আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিকে বলেন আবাল হোসেন (৮৮) ও সোলেমা বেগম (৬৬) দম্পতি। সোলেমা বেগম বলেন, ‘স্বামীডা আমার পঙ্গু। হুইলচেয়ারে কইরা রইদের (রোদ) মধ্যে ঘুরতাছি পাঁচ-দশ টাকার জন্য। রোজা থাইকা আর পারি না বাবা। জীবনডা আর চলে না। গরিবের কষ্ট কেউ দেহে না। এই রোজায় একটু দুধ, মাংস আমার কপালে জুটল না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে