
ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাবার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে ছেলেরও মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে এমন হৃদয়বিদায়ক ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও ছেলেকে একসঙ্গে দাফন করা হয়েছে।
মৃত বাবা ও ছেলে হলেন আসিম উদ্দিন (৮০) ও আশরাফ উদ্দিন (৪৫)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বিকেলে বার্ধক্যের কারণে মারা যান আসিম উদ্দিন। বাবার মৃত্যুর খবর শুনে ঢাকা থেকে ছেলে আশরাফ উদ্দিন রাতে বাড়িতে আসেন। বাড়িতে এসে স্ট্রোকের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আজ শনিবার সকাল ৭টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
আজ বেলা ২টায় কুতুবপুর গ্রামে বাবা ও ছেলের জানাজায় শত শত মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে নান্দাইল আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বাবা ও ছেলের লাশ কাঁধে নিয়ে কবরস্থানে দাফন করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মিলন মিয়া বলেন, ‘বাবা-ছেলের একসঙ্গে মৃত্যু আর পাশাপাশি কবর দেওয়া খুবই বিরল ঘটনা। আমার জানা মতে, দুজনেই খুব নম্র-ভদ্র মানুষ ছিলেন।’

সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রত্যেকটা নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১১ মিনিট আগে
এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের মোট ভোটের মাত্র ২ হাজার ৯০৬টি পেয়েছেন, যা প্রদত্ত ভোটের তুলনায় খুবই কম। ফলে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এনসিপি প্রার্থী মোট ভোটারের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ ভোট পান।
১৭ মিনিট আগে
সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের মাত্র একটিতেও জিততে পারেনি জামায়াতে ইসলাম। তবে দলটির নেতৃত্বধীন ১১ দলীয় জোটের খেলাফতে মজলিস পয়েছে একটি আসন। আর বাকি ১৮টি আসনই জিতেছে বিএনপি।
২৬ মিনিট আগে
মেহেরপুর জেলার দুটি আসনেই জামায়াত জোট প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তাঁরা হলেন মেহেরপুর-১ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মাও. তাজ উদ্দীন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনে জামায়াত নেতা নাজমুল হুদা।
৪১ মিনিট আগে