
দুয়ারে কড়া নাড়ছে পয়লা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। একই দিনে দুটি বিশেষ উপলক্ষ ঘিরে বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে জমে উঠেছে ফুল কেনা-বেচা। প্রিয়জনকে উপহার দিতে ফুলের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়।
আজ সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর রামবাবু রোডে ফুলের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, ফুল বেচা-কেনায় ব্যস্ত বিক্রেতারা। প্রকারভেদে ফুলের দামও ভিন্ন। ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ফুলের অতিরিক্ত দাম। বিক্রেতারা বলছেন, কৃষক পর্যায়ে তাদের চড়া মূল্য দিয়ে ফুল কিনতে হচ্ছে।
মারিয়া জান্নাত নামে এক স্কুল শিক্ষার্থী বলেন, ‘বান্ধবীকে উপহার দেওয়ার জন্য ছোট একটা গোলাপ কিনেছি ৪০ টাকা দিয়ে। গত বছর এই গোলাপের দাম ছিল সর্বোচ্চ ২০ টাকা। ভালোবাসা দিবস ঘিরে আনন্দ থাকলেও প্রিয়জনকে উপহার দিতে ফুল কিনতে এসে চড়া দাম দিতে হলো। তারপরেও ভালোবাসাটুকু ঠিকে থাকুক অন্তরে।’
নিজের মেয়েকে নিয়ে ফুল কিনতে এসে অনেকটাই বিস্মিত সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দিবসগুলোকে কেন্দ্র করে প্রিয়জনকে ফুল দেওয়া-নেওয়ার মধ্যে সওয়াব রয়েছে। কিন্তু এ বছর ফুলের দাম শুনে রীতিমতো অবাক হয়েছি। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মতো ফুলের বাজারও চড়া। তাই সাধ্যের মধ্যে চড়া দামেই কয়েকটি ফুল কিনেছি।’
রজনীগন্ধা পুষ্প কেন্দ্রের মালিক মো. শাহাব উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জারবেরা, গাঁদা ফুলের মালা, দেশি গোলাপ, গ্লাডিওলাস এগুলো ফুলের বেশ চাহিদা রয়েছে। এ বছর দাম একটু বেশি হওয়ায় বিক্রিও অন্যান্য বছরের তুলনায় কমে গেছে। বেশি দামে ফুল কিনে বাধ্য হয়ে আমাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
ভ্রাম্যমাণ ফুল বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দিবসগুলোকে ঘিরে অস্থায়ীভাবে আমি ফুলের ব্যবসা করে থাকি। এবারও ফুলের বেচা-কেনা অনেক ভালো। তবে দাম একটু বেশি হওয়ায় মানুষের মধ্যে চাহিদা কমেছে ফুলের। আশা রাখছি মাতৃভাষা দিবসে ব্যবসা আরও ভালো হবে।’

দুয়ারে কড়া নাড়ছে পয়লা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। একই দিনে দুটি বিশেষ উপলক্ষ ঘিরে বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে জমে উঠেছে ফুল কেনা-বেচা। প্রিয়জনকে উপহার দিতে ফুলের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়।
আজ সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর রামবাবু রোডে ফুলের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, ফুল বেচা-কেনায় ব্যস্ত বিক্রেতারা। প্রকারভেদে ফুলের দামও ভিন্ন। ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ফুলের অতিরিক্ত দাম। বিক্রেতারা বলছেন, কৃষক পর্যায়ে তাদের চড়া মূল্য দিয়ে ফুল কিনতে হচ্ছে।
মারিয়া জান্নাত নামে এক স্কুল শিক্ষার্থী বলেন, ‘বান্ধবীকে উপহার দেওয়ার জন্য ছোট একটা গোলাপ কিনেছি ৪০ টাকা দিয়ে। গত বছর এই গোলাপের দাম ছিল সর্বোচ্চ ২০ টাকা। ভালোবাসা দিবস ঘিরে আনন্দ থাকলেও প্রিয়জনকে উপহার দিতে ফুল কিনতে এসে চড়া দাম দিতে হলো। তারপরেও ভালোবাসাটুকু ঠিকে থাকুক অন্তরে।’
নিজের মেয়েকে নিয়ে ফুল কিনতে এসে অনেকটাই বিস্মিত সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দিবসগুলোকে কেন্দ্র করে প্রিয়জনকে ফুল দেওয়া-নেওয়ার মধ্যে সওয়াব রয়েছে। কিন্তু এ বছর ফুলের দাম শুনে রীতিমতো অবাক হয়েছি। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মতো ফুলের বাজারও চড়া। তাই সাধ্যের মধ্যে চড়া দামেই কয়েকটি ফুল কিনেছি।’
রজনীগন্ধা পুষ্প কেন্দ্রের মালিক মো. শাহাব উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জারবেরা, গাঁদা ফুলের মালা, দেশি গোলাপ, গ্লাডিওলাস এগুলো ফুলের বেশ চাহিদা রয়েছে। এ বছর দাম একটু বেশি হওয়ায় বিক্রিও অন্যান্য বছরের তুলনায় কমে গেছে। বেশি দামে ফুল কিনে বাধ্য হয়ে আমাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
ভ্রাম্যমাণ ফুল বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দিবসগুলোকে ঘিরে অস্থায়ীভাবে আমি ফুলের ব্যবসা করে থাকি। এবারও ফুলের বেচা-কেনা অনেক ভালো। তবে দাম একটু বেশি হওয়ায় মানুষের মধ্যে চাহিদা কমেছে ফুলের। আশা রাখছি মাতৃভাষা দিবসে ব্যবসা আরও ভালো হবে।’

পাবনার বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক প্রলয় চাকির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
১২ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটি কয়লাবোঝাই ট্রাকের অতিরিক্ত ওজনের কারণে দেবে গেছে। ব্রিজটি চরবিশ্বনাথপুর এলাকার মানুষের জন্য হোসেনপুর বাজারে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
২৩ মিনিট আগে
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৩৫ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে