গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনীতে কিছুদিন আগেও সবজির দাম ছিল লাগামহীন। চাহিদা মতো সবজি কিনতে পারতেন না ক্রেতারা। বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও কমে গিয়েছিল। তবে এখন স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারে। দাম কমায় ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্য মতো সবজি কিনতে পেরে খুশি। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে প্রচুর পরিমাণে সবজি সরবরাহ থাকায় দাম কমেছে।
উপজেলা দেবীপুর বাজারে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে বাজারে। ক্রেতাদের ভিড়ও বেড়েছে আগের তুলনায়।
তবে চাষিদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। শীত পড়াতে সবজি উৎপাদন বেড়েছে, কিন্তু হরতাল-অবরোধের কারণে সবজি ঠিকমতো রাজধানী ঢাকায় পাঠাতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে লোকসান গুনতে হবে এমনটাই আশঙ্কা তাঁদের।
বাজার করতে আসা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শীত আসলে সবজির দাম নাগালের মধ্যে আসে। যে পরিমাণ সবজির দাম বেড়েছিল কিনে খাওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন সবজির বাজার অনেকটাই স্বাভাবিক।’
আরেক ক্রেতা মো. সোহেল আহমেদ বলেন, ‘কিছুদিন আগেও ১ হাজার টাকা নিয়ে সবজি বাজারে ঢুকলে চাহিদা মতো সবজি কিনতে পারিনি। এখন সব সবজির দাম কমেছে, ইচ্ছে মতো সবজি কিনতে পারছি।’
সবজি ব্যবসায়ী সেন্টু ইসলাম বলেন, ‘সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। বাজারে প্রচুর সবজির আমদানি হয়েছে। ফলে দাম কমে গেছে। আমরা বেশি দামে কিনলে বেশি দামে বিক্রি করি, আর কম দামে কিনলে কম দামেই বিক্রয় করতে হয়। বাজারে মূলত সবজি দাম বাড়ে উৎপাদন ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে।’
তিনি আরও বলেন, কেজি প্রতি শিম ৪০, বেগুন ২০, পটল ৩০, ফুলকপি ৪০, মুলা ৩০, পালং শাক ৩০ টাকাসহ সব সবজির দাম কমেছে। বাজারে শীতকালীন প্রায় সব সবজিই উঠেছে। সবজি বাজার এখন ক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক।
সবজি ব্যবসায়ী সাকের আলী বলেন, গত ২০ দিন আগেও সবজির বাজার দর ছিল কেজি প্রতি গাজর ১৮০, শিম-২০০, টমেটো-১৬০, করলা-১০০, মুলা-৬০, বেগুন ৬০-৭০, আলু ৫০, পটল ৬০, ঢ্যাঁড়স ৫০, ওল ৮০, ফুলকপি ১২০, কুমড়ো ৫০, পেঁপে ৩০-৪০, সাচি কলা ৫০ টাকা।
সবজি চাষি ময়নাল আলী বলেন, ‘সবজির দাম কমেছে কিন্তু অবরোধ ও হরতালের কারণে আমরা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারছি না। বর্তমানে সার, বিষ, শ্রমিক খরচসহ সব জিনিসের দাম বেশি। সবজি চাষে আগের থেকে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। যে দামে সবজি বিক্রি করছি, এমন দাম থাকলে লোকসান গুনতে হবে।’
গাংনী কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, আগের চালানে সবজি চাষ হয়েছিল ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। বর্তমানে ১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এখন নতুন করে অনেক চাষি সবজি চাষ শুরু করেছে। সবজি চাষ দিন দিন বাড়ছে।
গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন, সবজি বাজারে ক্রেতাদের যে অস্বস্তি ছিল তা এখন আর নেই। সবজির উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, দামও কমেছে। আর চাষিরাও তাদের ন্যায্য মূল্যে সবজি বিক্রি করতে পারবেন।

মেহেরপুরের গাংনীতে কিছুদিন আগেও সবজির দাম ছিল লাগামহীন। চাহিদা মতো সবজি কিনতে পারতেন না ক্রেতারা। বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও কমে গিয়েছিল। তবে এখন স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারে। দাম কমায় ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্য মতো সবজি কিনতে পেরে খুশি। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে প্রচুর পরিমাণে সবজি সরবরাহ থাকায় দাম কমেছে।
উপজেলা দেবীপুর বাজারে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে বাজারে। ক্রেতাদের ভিড়ও বেড়েছে আগের তুলনায়।
তবে চাষিদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। শীত পড়াতে সবজি উৎপাদন বেড়েছে, কিন্তু হরতাল-অবরোধের কারণে সবজি ঠিকমতো রাজধানী ঢাকায় পাঠাতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে লোকসান গুনতে হবে এমনটাই আশঙ্কা তাঁদের।
বাজার করতে আসা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শীত আসলে সবজির দাম নাগালের মধ্যে আসে। যে পরিমাণ সবজির দাম বেড়েছিল কিনে খাওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন সবজির বাজার অনেকটাই স্বাভাবিক।’
আরেক ক্রেতা মো. সোহেল আহমেদ বলেন, ‘কিছুদিন আগেও ১ হাজার টাকা নিয়ে সবজি বাজারে ঢুকলে চাহিদা মতো সবজি কিনতে পারিনি। এখন সব সবজির দাম কমেছে, ইচ্ছে মতো সবজি কিনতে পারছি।’
সবজি ব্যবসায়ী সেন্টু ইসলাম বলেন, ‘সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। বাজারে প্রচুর সবজির আমদানি হয়েছে। ফলে দাম কমে গেছে। আমরা বেশি দামে কিনলে বেশি দামে বিক্রি করি, আর কম দামে কিনলে কম দামেই বিক্রয় করতে হয়। বাজারে মূলত সবজি দাম বাড়ে উৎপাদন ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে।’
তিনি আরও বলেন, কেজি প্রতি শিম ৪০, বেগুন ২০, পটল ৩০, ফুলকপি ৪০, মুলা ৩০, পালং শাক ৩০ টাকাসহ সব সবজির দাম কমেছে। বাজারে শীতকালীন প্রায় সব সবজিই উঠেছে। সবজি বাজার এখন ক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক।
সবজি ব্যবসায়ী সাকের আলী বলেন, গত ২০ দিন আগেও সবজির বাজার দর ছিল কেজি প্রতি গাজর ১৮০, শিম-২০০, টমেটো-১৬০, করলা-১০০, মুলা-৬০, বেগুন ৬০-৭০, আলু ৫০, পটল ৬০, ঢ্যাঁড়স ৫০, ওল ৮০, ফুলকপি ১২০, কুমড়ো ৫০, পেঁপে ৩০-৪০, সাচি কলা ৫০ টাকা।
সবজি চাষি ময়নাল আলী বলেন, ‘সবজির দাম কমেছে কিন্তু অবরোধ ও হরতালের কারণে আমরা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারছি না। বর্তমানে সার, বিষ, শ্রমিক খরচসহ সব জিনিসের দাম বেশি। সবজি চাষে আগের থেকে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। যে দামে সবজি বিক্রি করছি, এমন দাম থাকলে লোকসান গুনতে হবে।’
গাংনী কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, আগের চালানে সবজি চাষ হয়েছিল ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। বর্তমানে ১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এখন নতুন করে অনেক চাষি সবজি চাষ শুরু করেছে। সবজি চাষ দিন দিন বাড়ছে।
গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন, সবজি বাজারে ক্রেতাদের যে অস্বস্তি ছিল তা এখন আর নেই। সবজির উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, দামও কমেছে। আর চাষিরাও তাদের ন্যায্য মূল্যে সবজি বিক্রি করতে পারবেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে