
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় চন্দন ভগত (৫৮) নামের এক ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের দাবি, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তির চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।
নিহত চন্দন ভগত উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুস্তা বন্দর (মুড়িহাট) এলাকার মৃত বৈদ্যনাথ (দেবনাথ) ভগতের ছেলে।
পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির রেলিংয়ে নাইলনের সুতা দিয়ে গলায় ফাঁস দেন চন্দন ভগত। আজ বুধবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ঘিওর থানা-পুলিশকে খবর দেন।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত চন্দনের স্ত্রী নুপুর রবি দাস জানান, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কয়েক মাস ধরেই মানসিক চাপে ছিলেন তাঁর স্বামী। গতকাল কিস্তির টাকা আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোকজন বাড়িতে এলে টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তিনি সারা দিন বাড়ির বাইরে ছিলেন। রাতে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ঘিওর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে ঋণের চাপের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এটিই মৃত্যুর একমাত্র কারণ কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এই আয়োজন শুধু একটি ডিসকাউন্ট মেলা নয়, বরং দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে দেশের খুচরা বাজার ও ব্র্যান্ড ইকোসিস্টেম আরও গতিশীল হবে...
১৯ মিনিট আগে
আহতদের চিকিৎসা বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকলেও চিকিৎসকদের কৌশলী সেবায় বহু প্রাণ রক্ষা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক ও সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অবদানেই জুলাই আন্দোলন সফলতার মুখ দেখেছিল। সেই আন্দোলনের দুই বছর পূর্তিতে সংগঠনটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, আত্মত্যাগ
৩১ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার ও ধরলার পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বিভিন্ন উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত তিন দিনে অন্তত ৮০টি পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে পাউবো জিও ব্যাগ ফেললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
৩৪ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইজলামারী ভুন্দুরচর সীমান্তে ১৭ দিন শূন্যরেখায় অবস্থান করা তিন যুবককে আজ বুধবার সকাল থেকে আর দেখা যাচ্ছে না। বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টার শিকার হওয়া ওই যুবকদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি বিজিবি।
১ ঘণ্টা আগে