
বৈরী আবহাওয়ার কারণে যমুনা নদী উত্তাল থাকায় আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে আজ শনিবার ভোর সোয়া ৪টা থেকে এসব রুটে ফেরি, লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে সকাল ৮টা থেকে ফেরি চলাচল শুরু হলেও বন্ধ রয়েছে লঞ্চ, স্পিডবোট, ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা শাখার ব্যবস্থাপক মো. মামুনুর রশীদ জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল হয়ে প্রচণ্ড ঢেউ সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে লঞ্চ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে সকাল ৮টা থেকে এই নৌ-রুটে লঞ্চ, স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। পরিবেশ স্বাভাবিক হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু হবে।
বিআইডব্লিউটিএ পাটুরিয়া ঘাট শাখার এজিএম মো. সালাম হোসেন জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল হওয়ায় এ নৌ-রুটে ভোর সোয়া ৪টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। সকাল ৮টার পর আরিচা-পাটুরিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ রুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে।
এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে লঞ্চ, স্পিডবোট বন্ধ থাকায় শত শত মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট। ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ সাত দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণের অপেক্ষায় সবুজ চা-বাগান, পাহাড়, ঝরনা, ভেসে আসা পাথর আর স্বচ্ছ জলরাশি। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে আরও অপরূপ সাজে সেজেছে শুষ্ক চা-বাগান, ঝরনা ও পাথরের নদী।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে শীতলক্ষ্যা নদী তীরের মাটি লুট করে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। ডাম্প ট্রাক ও ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে এসব মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়। সেখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটিখেকো চক্র অনেক প্রভাবশালী। আর প্রশাসনও এদের বিরুদ্ধে কোনো কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নরসিংদী জেলার আরগীনগর মোড়ে গেলেই প্রথমেই নাকে ভেসে আসে একধরনের তীব্র আঠার গন্ধ। চারপাশে তাকালেই দেখা যায়, বিভিন্ন শিল্পকারখানার বাইরে ছোট ছোট কারিগরদের হাতে তৈরি হচ্ছে জুতা। সেই জুতার আঠার ঘ্রাণই যেন জানান দেয়—এখানে এখনো টিকে আছে ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি জুতার কারখানা।
৪ ঘণ্টা আগে
এবারের ঈদে সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। আর ঈদের ছুটিতে বাড়তি পর্যটকের চাপ সামাল দিতে পর্যটননগরী কক্সবাজারে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রমজানে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজগুলোতে কক্ষ ভাড়ায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও পর্যটক পাওয়া যায়নি।
৬ ঘণ্টা আগে