মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় আজ শনিবার সকাল ৮টায় দেশি পেঁয়াজের পাইকারি দাম ছিল ১২০ টাকা কেজি। দুপুরে ১৮০ হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা কেজি। গত ৮ ঘণ্টায় মাগুরা একতা কাঁচাবাজার ঘুরে এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দেখা গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, পাইকারি ২০০ টাকায় কিনে খুচরা বিক্রেতারা স্থানভেদে ২২০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। একই সঙ্গে আমদানি করা পেঁয়াজের দামও কেজিতে বেড়েছে দেশি ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
দেশি পেঁয়াজের চড়া দামে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। পুরোনো বাজারে বিকেলে পেঁয়াজ কিনতে আসা জালাল উদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘সকালে কিনেছি এক পোয়া (আড়াই শ গ্রাম) পেঁয়াজ ৩০ টাকা। এখন শুনছি একই পেঁয়াজ ৬০ টাকা পোয়া। মগের মুল্লুক নাকি। সকাল থেকে বিকেল হতেই ১০০ টাকা কেজিতে বাড়ে ক্যামনে।’
মাগুরা একতা পাইকারি বাজারের বিক্রেতা আবদুর রব জানান, ‘গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পেঁয়াজ স্টকে ছিল। ১০০ টাকা করে বিক্রি করেছি, অথচ আজ শনিবার সন্ধ্যায় পাইকারি বাজারে কারও কাছে পেঁয়াজ নাই। কোথায় এত পেঁয়াজ গেছে বলতে পারছি না।’
পাইকারি বাজারের অপর বিক্রেতা স্বপন পাল বলেন, ‘শনিবার সকালে লাইন ধরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। ১৮০ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।’
কেন দাম বাড়ছে প্রশ্নে ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘শুনেছি ভারত আগামী চার মাস পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রাখবে। তাই দেশি পেঁয়াজসহ সব ধরনের পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। রোববারে পেঁয়াজ সেভাবে না-ও পাওয়া যেতে পারে। তবে দাম এখন লাগাম ছাড়া হয়ে যেতে পারে বলে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন।’
এ বিষয়ে মাগুরা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ কর্মকর্তা মামুনুল হাসান আজ সন্ধ্যা ৭টায় মোবাইল ফোনে বলেন, ‘রোববার আমরা বড় বাজারগুলোতে যাব। কেন দাম বাড়ছে, সেটা দেখে তার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জানাতে পারব।’

মাগুরায় আজ শনিবার সকাল ৮টায় দেশি পেঁয়াজের পাইকারি দাম ছিল ১২০ টাকা কেজি। দুপুরে ১৮০ হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা কেজি। গত ৮ ঘণ্টায় মাগুরা একতা কাঁচাবাজার ঘুরে এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দেখা গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, পাইকারি ২০০ টাকায় কিনে খুচরা বিক্রেতারা স্থানভেদে ২২০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। একই সঙ্গে আমদানি করা পেঁয়াজের দামও কেজিতে বেড়েছে দেশি ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
দেশি পেঁয়াজের চড়া দামে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। পুরোনো বাজারে বিকেলে পেঁয়াজ কিনতে আসা জালাল উদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘সকালে কিনেছি এক পোয়া (আড়াই শ গ্রাম) পেঁয়াজ ৩০ টাকা। এখন শুনছি একই পেঁয়াজ ৬০ টাকা পোয়া। মগের মুল্লুক নাকি। সকাল থেকে বিকেল হতেই ১০০ টাকা কেজিতে বাড়ে ক্যামনে।’
মাগুরা একতা পাইকারি বাজারের বিক্রেতা আবদুর রব জানান, ‘গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পেঁয়াজ স্টকে ছিল। ১০০ টাকা করে বিক্রি করেছি, অথচ আজ শনিবার সন্ধ্যায় পাইকারি বাজারে কারও কাছে পেঁয়াজ নাই। কোথায় এত পেঁয়াজ গেছে বলতে পারছি না।’
পাইকারি বাজারের অপর বিক্রেতা স্বপন পাল বলেন, ‘শনিবার সকালে লাইন ধরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। ১৮০ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।’
কেন দাম বাড়ছে প্রশ্নে ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘শুনেছি ভারত আগামী চার মাস পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রাখবে। তাই দেশি পেঁয়াজসহ সব ধরনের পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। রোববারে পেঁয়াজ সেভাবে না-ও পাওয়া যেতে পারে। তবে দাম এখন লাগাম ছাড়া হয়ে যেতে পারে বলে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন।’
এ বিষয়ে মাগুরা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ কর্মকর্তা মামুনুল হাসান আজ সন্ধ্যা ৭টায় মোবাইল ফোনে বলেন, ‘রোববার আমরা বড় বাজারগুলোতে যাব। কেন দাম বাড়ছে, সেটা দেখে তার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জানাতে পারব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে