মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুরে চার কৃষকের বাঁশবাগানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় চার একর জায়গার বাঁশের কোড়ল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাগানের কয়েক লাখ বাঁশ। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাদুনা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
এর আগেও গত বৃহস্পতিবার বাঁশবাগানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। দুই অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি পরিবারের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে খাদুনা গ্রামের কৃষক নিপেন বিশ্বাস, ভদ্রকান্ত বিশ্বাস, শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সত্যেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের প্রায় চার একর জমির বাঁশবাগানে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে বাঁশসহ বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ পুড়ে যায়। চার একর জমির প্রায় লক্ষাধিক বাঁশের কোড়ল পুড়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নিপেন বিশ্বাস বলেন, ‘২০২০ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এক একর জমিতে বাঁশবাগান করেছিলাম। গত কয়েক দিনে বাগানে দফায় দফায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আগুন দিয়েছে। আগুনে বাগানের সব কুড়া (কোড়ল) পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’
কৃষক শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, ‘আমার বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তোলা এক একর জমির বাঁশের কুড়া পুড়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁশবাগানের বিশাল এলাকাজুড়ে পুড়ে গেছে। বাঁশঝাড়ের কুড়া (কোড়ল) ও বাঁশের নিচের অংশ পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা দাবি করছেন।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উল ইসলাম বলেন, কীভাবে বাঁশবাগানে আগুন লেগেছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাগানমালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরার মহম্মদপুরে চার কৃষকের বাঁশবাগানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় চার একর জায়গার বাঁশের কোড়ল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাগানের কয়েক লাখ বাঁশ। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাদুনা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
এর আগেও গত বৃহস্পতিবার বাঁশবাগানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। দুই অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি পরিবারের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে খাদুনা গ্রামের কৃষক নিপেন বিশ্বাস, ভদ্রকান্ত বিশ্বাস, শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সত্যেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের প্রায় চার একর জমির বাঁশবাগানে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে বাঁশসহ বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ পুড়ে যায়। চার একর জমির প্রায় লক্ষাধিক বাঁশের কোড়ল পুড়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নিপেন বিশ্বাস বলেন, ‘২০২০ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এক একর জমিতে বাঁশবাগান করেছিলাম। গত কয়েক দিনে বাগানে দফায় দফায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আগুন দিয়েছে। আগুনে বাগানের সব কুড়া (কোড়ল) পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’
কৃষক শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, ‘আমার বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তোলা এক একর জমির বাঁশের কুড়া পুড়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁশবাগানের বিশাল এলাকাজুড়ে পুড়ে গেছে। বাঁশঝাড়ের কুড়া (কোড়ল) ও বাঁশের নিচের অংশ পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা দাবি করছেন।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উল ইসলাম বলেন, কীভাবে বাঁশবাগানে আগুন লেগেছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাগানমালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৮ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে