মাদারীপুর প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-৩ আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী একটি ক্যাম্পে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার বিচারের দাবিতে নৌকার সমর্থকেরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ বুধবার দুপুরে কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের পূর্ব আলীপুর গ্রামে নৌকার সমর্থকেরা বিক্ষোভ করেছেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ছিলেন—নাজিম আকন, মিজান খলিফা, জুলহাস মহাজোন, রিয়াদ কাজী, হাসান মৃধা, কাশেম সরদার, কাঞ্চন সরদার, ইউসুফ সরদার, সত্তার আকন, শাহীন হাওলাদার, স্বপন সরদার প্রমুখ।
নৌকার সমর্থকদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ড. আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপের সমর্থকেরা পূর্ব আলীপুর গ্রামের মহাজোন বাড়ির সামনে একটি নৌকার নির্বাচনী ক্যাম্প তৈরি করে। সেখান থেকে নির্বাচন পরিচালনা করে আসছেন ওই এলাকার নৌকার সমর্থকেরা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দুর্বৃত্তরা ওই নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় নৌকার ঝোলানো বেশ কিছু পোস্টারও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. জুলহাস বলেন, ‘রাত দুইটার দিকে স্থানীয়দের চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে আসি। মোটরের মাধ্যমে পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়। তবে কারা আগুন দিয়েছে, তা জানি না।’
কালকিনি পৌর মেয়র ও নৌকার সমর্থক এস এম হানিফ বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। নির্বাচন উপলক্ষে কোনো প্রকার সহিংসতা চাই না। তবে নৌকার ক্যাম্প পোড়ানো কিসের আলামত বলতে পারি না। আমরা চাই প্রশাসন তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ব্যবস্থা করা হোক।’
স্বতন্ত্রপ্রার্থী (ঈগল) মোসা. তাহমিনা বেগম বলেন, ‘নৌকার সমর্থকরাই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। যাতে করে আমাদের সমর্থক ও কর্মীদের ওপর দোষ দেওয়া যায়।’
স্বতন্ত্রপ্রার্থীর সমর্থক ও কালকিনির পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নেয়ামুল আকন বলেন, নৌকার সমর্থিত লোকজনরাই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যাতে করে এলাকার স্বতন্ত্রপ্রার্থীর সমর্থিত কর্মীদের ফাঁসানো যায়। এ ব্যাপারে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেছেন।
কালকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। রাস্তার পাশে ক্যাম্পে রাতে দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। তবে কারা আগুন দিয়েছে কেউ বলতে পারে না। কিছু কাপড়ে ও কয়েকটি চেয়ারের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। স্থানীয়রা টের পেয়ে আগুন নিভিয়েছে।’
কালকিনি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মারগুব তৌহিদ বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-৩ আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী একটি ক্যাম্পে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার বিচারের দাবিতে নৌকার সমর্থকেরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ বুধবার দুপুরে কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের পূর্ব আলীপুর গ্রামে নৌকার সমর্থকেরা বিক্ষোভ করেছেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ছিলেন—নাজিম আকন, মিজান খলিফা, জুলহাস মহাজোন, রিয়াদ কাজী, হাসান মৃধা, কাশেম সরদার, কাঞ্চন সরদার, ইউসুফ সরদার, সত্তার আকন, শাহীন হাওলাদার, স্বপন সরদার প্রমুখ।
নৌকার সমর্থকদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ড. আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপের সমর্থকেরা পূর্ব আলীপুর গ্রামের মহাজোন বাড়ির সামনে একটি নৌকার নির্বাচনী ক্যাম্প তৈরি করে। সেখান থেকে নির্বাচন পরিচালনা করে আসছেন ওই এলাকার নৌকার সমর্থকেরা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দুর্বৃত্তরা ওই নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় নৌকার ঝোলানো বেশ কিছু পোস্টারও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. জুলহাস বলেন, ‘রাত দুইটার দিকে স্থানীয়দের চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে আসি। মোটরের মাধ্যমে পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়। তবে কারা আগুন দিয়েছে, তা জানি না।’
কালকিনি পৌর মেয়র ও নৌকার সমর্থক এস এম হানিফ বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। নির্বাচন উপলক্ষে কোনো প্রকার সহিংসতা চাই না। তবে নৌকার ক্যাম্প পোড়ানো কিসের আলামত বলতে পারি না। আমরা চাই প্রশাসন তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ব্যবস্থা করা হোক।’
স্বতন্ত্রপ্রার্থী (ঈগল) মোসা. তাহমিনা বেগম বলেন, ‘নৌকার সমর্থকরাই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। যাতে করে আমাদের সমর্থক ও কর্মীদের ওপর দোষ দেওয়া যায়।’
স্বতন্ত্রপ্রার্থীর সমর্থক ও কালকিনির পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নেয়ামুল আকন বলেন, নৌকার সমর্থিত লোকজনরাই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যাতে করে এলাকার স্বতন্ত্রপ্রার্থীর সমর্থিত কর্মীদের ফাঁসানো যায়। এ ব্যাপারে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেছেন।
কালকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। রাস্তার পাশে ক্যাম্পে রাতে দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। তবে কারা আগুন দিয়েছে কেউ বলতে পারে না। কিছু কাপড়ে ও কয়েকটি চেয়ারের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। স্থানীয়রা টের পেয়ে আগুন নিভিয়েছে।’
কালকিনি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মারগুব তৌহিদ বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে