শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ সদরের পাঁচুরিয়া এলাকার মো. মাসুদ মিয়া একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে সুইটি আক্তারকে পৌঁছে দিতে ঢাকা যাচ্ছিলেন তিনি। দুপুর পর্যন্ত তিনি জানতেন না তাঁর মেয়ে আর বেঁচে নেই। দুপুরে হাসপাতালে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। বারবার প্রশ্ন করছিলেন, ‘ভাই, আমার মেয়েটি বেঁচে আছে তো? কোথায় সুইটি? নাকি মারা গেছে?’
মাসুদ মিয়ার পরিবারের সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুইটি আক্তার। বাবার সঙ্গে ঢাকা যাচ্ছিলেন তিনি। আজ রোববার সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা মো. মাসুদ মিয়া বেঁচে গেলেও মারা যান সুইটি। আহতাবস্থায় মো. মাসুদ মিয়াকে শিবচরের পাঁচ্চর এলাকার ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাসুদ মিয়া মেয়েকে নিয়ে আজ সকালে গোপালগঞ্জ থেকে উঠেছিলেন ইমাদ পরিবহনের বাসটিতে। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন তাঁর।
মেয়ে আর বেঁচে নেই জানার পর মাসুদ মিয়া আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘আমি মরে গিয়ে যদি মেয়েটা বেঁচে থাকত!’
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা বাসটি বাগেরহাট, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে যাত্রী তুলে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। বেপরোয়া গতিতে বাসটি শিবচরের কুতুবপুর এলাকার এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যায় বাসের ১৪ যাত্রী। শিবচর হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায় আরও তিনজন। ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর মারা যায় আরও দুজন।
আরও খবর পড়ুন:

গোপালগঞ্জ সদরের পাঁচুরিয়া এলাকার মো. মাসুদ মিয়া একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে সুইটি আক্তারকে পৌঁছে দিতে ঢাকা যাচ্ছিলেন তিনি। দুপুর পর্যন্ত তিনি জানতেন না তাঁর মেয়ে আর বেঁচে নেই। দুপুরে হাসপাতালে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। বারবার প্রশ্ন করছিলেন, ‘ভাই, আমার মেয়েটি বেঁচে আছে তো? কোথায় সুইটি? নাকি মারা গেছে?’
মাসুদ মিয়ার পরিবারের সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুইটি আক্তার। বাবার সঙ্গে ঢাকা যাচ্ছিলেন তিনি। আজ রোববার সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা মো. মাসুদ মিয়া বেঁচে গেলেও মারা যান সুইটি। আহতাবস্থায় মো. মাসুদ মিয়াকে শিবচরের পাঁচ্চর এলাকার ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাসুদ মিয়া মেয়েকে নিয়ে আজ সকালে গোপালগঞ্জ থেকে উঠেছিলেন ইমাদ পরিবহনের বাসটিতে। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন তাঁর।
মেয়ে আর বেঁচে নেই জানার পর মাসুদ মিয়া আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘আমি মরে গিয়ে যদি মেয়েটা বেঁচে থাকত!’
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা বাসটি বাগেরহাট, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে যাত্রী তুলে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। বেপরোয়া গতিতে বাসটি শিবচরের কুতুবপুর এলাকার এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যায় বাসের ১৪ যাত্রী। শিবচর হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায় আরও তিনজন। ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর মারা যায় আরও দুজন।
আরও খবর পড়ুন:

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে