হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের কটূক্তি করা ও হুমকি দেওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে মানববন্ধন চলার একপর্যায়ে কয়েকজনের বক্তব্যের পর পুলিশ এসে তাঁদের সেখান থেকে তুলে দেয়।
তার আগে স্থানীয় বাসিন্দা ব্রজেন্দ্র নাথ, শিশির চন্দ্র রায়, রঞ্জিত রায় ও রতন ঠাকুর সেখানে বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে কটূক্তি ও হুমকি দেওয়ার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এত দিনেও তাঁকে বিচারের আওতায় আনা হয়নি।
আবু বক্কর সিদ্দিকের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরে বক্তারা অতি দ্রুত শ্যামলকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেন।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিককে ফোন করা হলে তিনি সংযোগ কেটে দেন।
তবে মানববন্ধন পণ্ড করার কথা অস্বীকার করে হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুসা মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশ মানববন্ধনে বাধা দেয়নি। রাস্তায় জনসাধারণের চলাচলে যেন সমস্যা না হয়, তাদের সে কথা বলা হয়েছে।’
আবু বক্কর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা ও তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এখানে নতুন এসেছি। এ বিষয়ে কিছু জানি না।’
গত ২৯ ডিসেম্বর পাশের সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আগে ভোট চাইতে গিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উদ্দেশে কটূক্তি করেন এবং তাঁদের হুমকি দেন আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল।
ভিডিওতে আবু বক্কর সিদ্দিককে বলতে শোনা যায়, ‘এরা গরু খাওয়া হিন্দু। আওয়ামী লীগের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে হিন্দুরা বাংলাদেশে আছে। আওয়ামী লীগ সব সময় সংখ্যালঘুদের জন্য লড়াই করে। নির্বাচনে নৌকায় ভোট না দিলে হাত-পা ভেঙে দেশ থেকে তাদের বিতাড়িত করা হবে।’
আওয়ামী লীগ নেতার সেই ভিডিও বক্তব্য তখন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে শ্যামলকে প্রধান করে ২২ জনের নামে হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন স্থানীয় বাসিন্দা ব্রজেন্দ্রনাথ।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের কটূক্তি করা ও হুমকি দেওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে মানববন্ধন চলার একপর্যায়ে কয়েকজনের বক্তব্যের পর পুলিশ এসে তাঁদের সেখান থেকে তুলে দেয়।
তার আগে স্থানীয় বাসিন্দা ব্রজেন্দ্র নাথ, শিশির চন্দ্র রায়, রঞ্জিত রায় ও রতন ঠাকুর সেখানে বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে কটূক্তি ও হুমকি দেওয়ার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এত দিনেও তাঁকে বিচারের আওতায় আনা হয়নি।
আবু বক্কর সিদ্দিকের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরে বক্তারা অতি দ্রুত শ্যামলকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেন।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিককে ফোন করা হলে তিনি সংযোগ কেটে দেন।
তবে মানববন্ধন পণ্ড করার কথা অস্বীকার করে হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুসা মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশ মানববন্ধনে বাধা দেয়নি। রাস্তায় জনসাধারণের চলাচলে যেন সমস্যা না হয়, তাদের সে কথা বলা হয়েছে।’
আবু বক্কর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা ও তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এখানে নতুন এসেছি। এ বিষয়ে কিছু জানি না।’
গত ২৯ ডিসেম্বর পাশের সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আগে ভোট চাইতে গিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উদ্দেশে কটূক্তি করেন এবং তাঁদের হুমকি দেন আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল।
ভিডিওতে আবু বক্কর সিদ্দিককে বলতে শোনা যায়, ‘এরা গরু খাওয়া হিন্দু। আওয়ামী লীগের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে হিন্দুরা বাংলাদেশে আছে। আওয়ামী লীগ সব সময় সংখ্যালঘুদের জন্য লড়াই করে। নির্বাচনে নৌকায় ভোট না দিলে হাত-পা ভেঙে দেশ থেকে তাদের বিতাড়িত করা হবে।’
আওয়ামী লীগ নেতার সেই ভিডিও বক্তব্য তখন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে শ্যামলকে প্রধান করে ২২ জনের নামে হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন স্থানীয় বাসিন্দা ব্রজেন্দ্রনাথ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে