
সভায় মূল বিষয়বস্তুর ওপর কি-নোট উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমনা গুপ্ত। সভায় অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব সুব্রত চৌধুরী....

হত্যা, নিখোঁজ ও সহিংসতার ঘটনায় সরকারের জবাবদিহি দৃশ্যমান করা এবং শিশু, নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি।

একটি বিশেষ চক্র নিজেদের উদ্দেশ্য ও স্বার্থ হাসিলের জন্য শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তাঁদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা আড়াল বা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের দেওয়া বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য নয়...

অনেকেই হয়তো ভাবছেন, ঘটনাটা এক হিন্দু পরিবারের, যারা সংখ্যালঘু হিসেবে এ দেশে বসবাস করে। তারা একবারও ভাবছেন না যে এই পরিবারের পরিচয় আর দশটা পরিবারের মতোই বাংলাদেশি। যারা বাংলাদেশকে শুধু মুসলমানদের দেশ হিসেবে ভাবতে ভালোবাসে, তারা বাংলাদেশের হিন্দুধর্মাবলম্বী নাগরিকদের গণনায় আনে না, আনতে চায় না।