লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুকে তাঁর মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে চট্টগ্রামের লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী জামে মসজিদের পাশের একটি কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।
এর আগে রাত ৮টার দিকে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আত্মীয়স্বজন ছাড়াও স্থানীয় লোকজন অংশ নেন।
এদিকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে হিমুর মৃতদেহ নানার বাড়ি লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী পুরাতন গো-হাটাসংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আসা হয়। আত্মীয়স্বজন মৃতদেহ একনজর দেখার পর সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে মৃতদেহ জানাজার স্থানে নিয়ে আসা হয়। পরে বাদ এশা জানাজার নামাজ পড়ান ওই মসজিদের ইমাম।
হোমায়ারা হিমুর মামা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক মঈন উদ্দিন চৌধুরী কামরু জানান, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লামচরী জামে মসজিদের সামনে রাত সোয়া ৮টার পর বাদ এশা দ্বিতীয় জানাজা শেষে মসজিদের কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়। এটি তাঁর নানার এলাকা। তাঁর দাদার বাড়ি চাঁদপুরের মতলবে। তবে ছোটবেলা থেকে নানার বাড়িতেই থাকতেন তিনি।
মা শামীম আরা চৌধুরীর কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে। হিমুর বাবা-মা কেউই বেঁচে নেই। তিনি বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। তাঁর বাবা প্রকৌশলী সানা উল্লাহ দুমাস আগে মারা যান। তাঁর মা শামীম আরা চৌধুরী ২০২০ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। হিমু যখন ছোট ছিলেন, তখন মা-বাবার মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়।
অভিনেত্রী হোমায়রা হিমু ১৯৮৫ সালের ২৩ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্পাহানি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। হিমু ইডেন মহিলা কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুকে তাঁর মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে চট্টগ্রামের লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী জামে মসজিদের পাশের একটি কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।
এর আগে রাত ৮টার দিকে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আত্মীয়স্বজন ছাড়াও স্থানীয় লোকজন অংশ নেন।
এদিকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে হিমুর মৃতদেহ নানার বাড়ি লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী পুরাতন গো-হাটাসংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আসা হয়। আত্মীয়স্বজন মৃতদেহ একনজর দেখার পর সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে মৃতদেহ জানাজার স্থানে নিয়ে আসা হয়। পরে বাদ এশা জানাজার নামাজ পড়ান ওই মসজিদের ইমাম।
হোমায়ারা হিমুর মামা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক মঈন উদ্দিন চৌধুরী কামরু জানান, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লামচরী জামে মসজিদের সামনে রাত সোয়া ৮টার পর বাদ এশা দ্বিতীয় জানাজা শেষে মসজিদের কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়। এটি তাঁর নানার এলাকা। তাঁর দাদার বাড়ি চাঁদপুরের মতলবে। তবে ছোটবেলা থেকে নানার বাড়িতেই থাকতেন তিনি।
মা শামীম আরা চৌধুরীর কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে। হিমুর বাবা-মা কেউই বেঁচে নেই। তিনি বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। তাঁর বাবা প্রকৌশলী সানা উল্লাহ দুমাস আগে মারা যান। তাঁর মা শামীম আরা চৌধুরী ২০২০ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। হিমু যখন ছোট ছিলেন, তখন মা-বাবার মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়।
অভিনেত্রী হোমায়রা হিমু ১৯৮৫ সালের ২৩ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্পাহানি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। হিমু ইডেন মহিলা কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে