
রোগী সেজে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চুরির ঘটনায় সাত নারীকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা সবাই জামালপুর ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিনিয়ত সদর হাসপাতালে লাইনে দাঁড়ানো রোগীদের টাকা, গয়না ও মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটছে। গতকাল রোববার দুপুরে কুলসুমা বেগম নামে এক নারী ডাক্তার দেখানোর জন্য টিকিট কেটে লাইনে দাঁড়ান। এ সময় তাঁর ব্যাগ থেকে ছয় হাজার টাকা চুরির করার সময় হাতেনাতে এক নারীকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে শহরের বিভিন্ন বাসায় অভিযান চালিয়ে আরও ছয় নারীকে আটক করা হয়। জড়িত সাত নারীই সদর হাসপাতালে রোগী সেজে চুরির সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁরা একই এলাকায় দুই থেকে তিন মাসের বেশি অবস্থান করেন না।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত সবাই চোর চক্রের সদস্য। তারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী সেজে চুরিসহ নানা অপরাধ করে থাকে। তারা কয়েক দিন আগে এই শহরে বাসাভাড়া নিয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন স্থানে একই কাজ করে আসছিল এই চক্র। এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র চার দিন। ভোট ঘিরে শেষ সময়ে উপকূলীয় জেলা বরগুনার দুটি আসনেই হাট-বাজার, চায়ের দোকানে জমে উঠেছে ভোটের হিসাব-নিকাশ, বিশ্লেষণ। প্রার্থীরাও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
২ মিনিট আগে
বিএনপির প্রতি ভালোবাসা আর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করার প্রবল আকাঙ্ক্ষায় আবারও ‘ধানমানব’ সেজেছেন মো. খাদেমুল ইসলাম। গতকাল শনিবার দুপুরে দিনাজপুরের বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় খাদেমুল শরীরে ধান বেঁধে হাজির হন। সভায়অনেকেরই নজর কাড়েন তিনি।
১২ মিনিট আগে
জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হঠাৎ খুলনায় মুসলিম লীগ সরব হয়ে উঠেছে। প্রাচীন সংগঠনটি খুলনার তিনটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনে যায়নি। সংগঠনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে সমর্থন দিচ্ছে মুসলিম লীগ।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জয়পুরহাট-১ ও ২ আসনের প্রার্থীরা দিচ্ছেন একের পর এক প্রতিশ্রুতি। কেউ আর্থিক নিরাপত্তার কথা বলছেন, কেউ নৈতিক শাসনের, কেউ আবার কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে একটাই প্রশ্ন—‘এই প্রতিশ্রুতি কি নির্বাচনের পরও টিকে থাকবে?’
২২ মিনিট আগে