রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় প্রেমের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় মীর হোসেন (২৬) নামে এক প্রবাসী যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত মীর হোসেন উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের পুরান পাটোয়ারি বাড়ির আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি কাতার প্রবাসী ছিলেন।
মৃতের স্ত্রী রোমানা বেগম বলেন, ‘মীর হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে আমার বিয়ে হয়। শুরু থেকেই আমার শ্বশুর, শাশুড়ি ও আত্মীয়স্বজনেরা আমাদের বিয়ে মেনে নেননি। এ বিষয় নিয়ে আমার স্বামী মীর হোসেনের সঙ্গে শ্বশুর-শাশুড়ির প্রায়ই মনোমালিন্য লেগেই থাকত। এমনকি আমাদের বিয়ের পর থেকে আমার শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়ি থেকে চলে যান। তাঁরা আমার ননদের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন।’
রোমানা বেগম আরও বলেন, ‘আজ ভোরে আমি ফজরের নামাজ পড়তে উঠি। নামাজ শেষে ঘরে ঢুকে দেখি আমার স্বামী সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছেন। এ সময় আমার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে রামগঞ্জ থানা-পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে আমার স্বামীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।’
মৃতের আত্মীয় ও রামগঞ্জ পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘গত তিন মাস আগে মীর হোসেন কাতার থেকে দেশে ফিরে। দেশে ফিরে বাবা-মায়ের অমতে নিজের পছন্দের মেয়ে রোমানা বেগমকে বিয়ে করে। আমরা এ বিয়েতে রাজি ছিলাম না। এমনকি আমি বিয়েতেও যাইনি। পরে আজ সকালে খবর পাই সে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. এনায়েত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় প্রেমের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় মীর হোসেন (২৬) নামে এক প্রবাসী যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত মীর হোসেন উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের পুরান পাটোয়ারি বাড়ির আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি কাতার প্রবাসী ছিলেন।
মৃতের স্ত্রী রোমানা বেগম বলেন, ‘মীর হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে আমার বিয়ে হয়। শুরু থেকেই আমার শ্বশুর, শাশুড়ি ও আত্মীয়স্বজনেরা আমাদের বিয়ে মেনে নেননি। এ বিষয় নিয়ে আমার স্বামী মীর হোসেনের সঙ্গে শ্বশুর-শাশুড়ির প্রায়ই মনোমালিন্য লেগেই থাকত। এমনকি আমাদের বিয়ের পর থেকে আমার শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়ি থেকে চলে যান। তাঁরা আমার ননদের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন।’
রোমানা বেগম আরও বলেন, ‘আজ ভোরে আমি ফজরের নামাজ পড়তে উঠি। নামাজ শেষে ঘরে ঢুকে দেখি আমার স্বামী সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছেন। এ সময় আমার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে রামগঞ্জ থানা-পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে আমার স্বামীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।’
মৃতের আত্মীয় ও রামগঞ্জ পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘গত তিন মাস আগে মীর হোসেন কাতার থেকে দেশে ফিরে। দেশে ফিরে বাবা-মায়ের অমতে নিজের পছন্দের মেয়ে রোমানা বেগমকে বিয়ে করে। আমরা এ বিয়েতে রাজি ছিলাম না। এমনকি আমি বিয়েতেও যাইনি। পরে আজ সকালে খবর পাই সে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. এনায়েত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে