কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া শহরের ব্যবসায়ী আবুল কাশেম হত্যা মামলায় আজাদ হোসেন (৫৩) নামের এক আসামির ফাঁসি এবং মিন্টু (৪৬) আলী নামের আরেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের উভয়কে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আজাদ হোসেন কুষ্টিয়ার পৌরসভার আড়ূয়াপাড়া এলাকার মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু আলী হাউজিং এলাকার মহিউদ্দিন ওরফে পটলার ছেলে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি মিন্টু আদালতে উপস্থিত থাকলেও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজাদ পলাতক ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় মিন্টুকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট রাত পৌনে ১০টার দিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার সময় কুষ্টিয়ার শহরের থানাপাড়া এলাকার ফাস্ট ফুড ব্যবসায়ী আবুল কাসেমকে ছুরিকাঘাত করে আসামি আজাদ এবং মিন্টু। এই ঘটনায় কাসেমের ছেলে ইফতেখার আহাম্মেদ নাঈম বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় আজাদ এবং মিন্টুর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২ / ৩ জনের নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিন পুলিশের অভিযানে আজাদকে গ্রেপ্তার হয়।
এই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামি আজাদ এবং মিন্টুর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে এবং ১০ সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, মামলার প্রধান আসামি আজাদ জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই পলাতক আছেন। অপর আসামি মিন্টুর উপস্থিতিতে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। পরে আসামি মিন্টুকে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

কুষ্টিয়া শহরের ব্যবসায়ী আবুল কাশেম হত্যা মামলায় আজাদ হোসেন (৫৩) নামের এক আসামির ফাঁসি এবং মিন্টু (৪৬) আলী নামের আরেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের উভয়কে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আজাদ হোসেন কুষ্টিয়ার পৌরসভার আড়ূয়াপাড়া এলাকার মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু আলী হাউজিং এলাকার মহিউদ্দিন ওরফে পটলার ছেলে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি মিন্টু আদালতে উপস্থিত থাকলেও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজাদ পলাতক ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় মিন্টুকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট রাত পৌনে ১০টার দিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার সময় কুষ্টিয়ার শহরের থানাপাড়া এলাকার ফাস্ট ফুড ব্যবসায়ী আবুল কাসেমকে ছুরিকাঘাত করে আসামি আজাদ এবং মিন্টু। এই ঘটনায় কাসেমের ছেলে ইফতেখার আহাম্মেদ নাঈম বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় আজাদ এবং মিন্টুর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২ / ৩ জনের নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিন পুলিশের অভিযানে আজাদকে গ্রেপ্তার হয়।
এই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামি আজাদ এবং মিন্টুর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে এবং ১০ সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, মামলার প্রধান আসামি আজাদ জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই পলাতক আছেন। অপর আসামি মিন্টুর উপস্থিতিতে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। পরে আসামি মিন্টুকে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

কুমিল্লার মুরাদনগরে র্যাবের বিশেষ অভিযানে পুলিশের লুট হওয়া একটি চায়নিজ রাইফেল ও একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৪ মিনিট আগে
প্রতীক বরাদ্দের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের প্রচার করায় রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী মু. সাঈদ নোমানকে আদালতে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাঁকে সশরীর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘আমি যদি ভোট পাওয়ার মতো কাজ করে থাকি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকেরাও আমাকে ভোট দেবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের শতভাগ ভোট পাব।’ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাকসুর...
১ ঘণ্টা আগে
রিয়াজ মোল্লা জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন একটি প্রয়োজনীয় কাগজ সময়মতো জমা না দেওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। এই কারণে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে