কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে বৃষ্টি খাতুন (৩০) নামের এক নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অপরাধে তাঁর প্রেমিকসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদের ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ২টার দিকে কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ ওরফে মঞ্জু, একই গ্রামের আবু মন্ডলের ছেলে হেলাল উদ্দিন এবং মৃত হাসেম আলীর ছেলে আশরাফুল আলম। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর ৯ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২ জুলাই বিকেলে খালার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হন বৃষ্টি খাতুন। নিখোঁজের পর দিন ৩ জুলাই সকালে মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামে মিরপুর-দৌলতপুর সড়কের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাহাবুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৃষ্টি খাতুনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্কের কারণে বৃষ্টির কাছে থেকে টাকা ধার নেয় প্রেমিক শাহাবুদ্দিন। এরপরে বৃষ্টি টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করে শাহাবুদ্দিন এবং তার বন্ধু আশরাফুল ও হেলাল।
ঘটনায় দিন নিহতের বাবা আমিন বিশ্বাস আসামিদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর আদালত এ মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ বুধবার (২৪ আগস্ট) রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত তারিখে আদালতের বিচারক মামলার তিন আসামিকে শাস্তির আদেশ দেন এবং ৯ আসামিকে খালাস দেন।
আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, বৃষ্টি খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর ৯ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

কুষ্টিয়ার মিরপুরে বৃষ্টি খাতুন (৩০) নামের এক নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অপরাধে তাঁর প্রেমিকসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদের ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ২টার দিকে কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ ওরফে মঞ্জু, একই গ্রামের আবু মন্ডলের ছেলে হেলাল উদ্দিন এবং মৃত হাসেম আলীর ছেলে আশরাফুল আলম। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর ৯ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২ জুলাই বিকেলে খালার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হন বৃষ্টি খাতুন। নিখোঁজের পর দিন ৩ জুলাই সকালে মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামে মিরপুর-দৌলতপুর সড়কের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাহাবুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৃষ্টি খাতুনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্কের কারণে বৃষ্টির কাছে থেকে টাকা ধার নেয় প্রেমিক শাহাবুদ্দিন। এরপরে বৃষ্টি টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করে শাহাবুদ্দিন এবং তার বন্ধু আশরাফুল ও হেলাল।
ঘটনায় দিন নিহতের বাবা আমিন বিশ্বাস আসামিদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর আদালত এ মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ বুধবার (২৪ আগস্ট) রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত তারিখে আদালতের বিচারক মামলার তিন আসামিকে শাস্তির আদেশ দেন এবং ৯ আসামিকে খালাস দেন।
আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, বৃষ্টি খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর ৯ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

কুমিল্লার মুরাদনগরে র্যাবের বিশেষ অভিযানে পুলিশের লুট হওয়া একটি চায়নিজ রাইফেল ও একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
প্রতীক বরাদ্দের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের প্রচার করায় রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী মু. সাঈদ নোমানকে আদালতে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাঁকে সশরীর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘আমি যদি ভোট পাওয়ার মতো কাজ করে থাকি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকেরাও আমাকে ভোট দেবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের শতভাগ ভোট পাব।’ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাকসুর...
১ ঘণ্টা আগে
রিয়াজ মোল্লা জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন একটি প্রয়োজনীয় কাগজ সময়মতো জমা না দেওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। এই কারণে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে