চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধের সুপারিশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহম্মেদ স্বাক্ষরিত চিঠি পাওয়ার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. আঞ্জুমান আরার বিরুদ্ধে এ সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি সূত্রে জানা যায়, মোছা. আঞ্জুমান আরা থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ২০১৫ সালে ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স সনদ দিয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি নেন। দীর্ঘ ৯ বছর যাবৎ বেতন ভাতাও উত্তোলন করছেন।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্তে জানা যায়—তিনি যে সনদটি দিয়েছেন সেটি প্রকৃতপক্ষে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আহাম্মদ আলীর মেয়ে মোছা. আঞ্জুমান আরার। শুধু নামের মিল থাকায় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই সনদপত্রটি দিয়ে চাকরি নেন আঞ্জুমান আরা। একই ইউনিয়নের শামস পাড়া এলাকার ফারদিন হাসান ফাহিম নামে এক অভিযোগকারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাউশি কর্তৃক তদন্তে সনদপত্র জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
জাল সনদে এমপিওভুক্ত হওয়ায় জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী তাঁর বেতন-ভাতা বন্ধে সুপারিশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহম্মেদ স্বাক্ষরিত চিঠিটি চলতি মাসের ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হলেও মঙ্গলবার চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. তৈয়ব আলী। তিনি বলেন, মোছা. আঞ্জুমান আরার বেতন-ভাতা বন্ধের চিঠির আলোকে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, ওই শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় অধিদপ্তর কর্তৃক বেতন-ভাতা বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে। অধিদপ্তরের চিঠির আলোকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধের সুপারিশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহম্মেদ স্বাক্ষরিত চিঠি পাওয়ার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. আঞ্জুমান আরার বিরুদ্ধে এ সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি সূত্রে জানা যায়, মোছা. আঞ্জুমান আরা থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ২০১৫ সালে ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স সনদ দিয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি নেন। দীর্ঘ ৯ বছর যাবৎ বেতন ভাতাও উত্তোলন করছেন।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্তে জানা যায়—তিনি যে সনদটি দিয়েছেন সেটি প্রকৃতপক্ষে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আহাম্মদ আলীর মেয়ে মোছা. আঞ্জুমান আরার। শুধু নামের মিল থাকায় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই সনদপত্রটি দিয়ে চাকরি নেন আঞ্জুমান আরা। একই ইউনিয়নের শামস পাড়া এলাকার ফারদিন হাসান ফাহিম নামে এক অভিযোগকারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাউশি কর্তৃক তদন্তে সনদপত্র জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
জাল সনদে এমপিওভুক্ত হওয়ায় জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী তাঁর বেতন-ভাতা বন্ধে সুপারিশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহম্মেদ স্বাক্ষরিত চিঠিটি চলতি মাসের ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হলেও মঙ্গলবার চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. তৈয়ব আলী। তিনি বলেন, মোছা. আঞ্জুমান আরার বেতন-ভাতা বন্ধের চিঠির আলোকে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, ওই শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় অধিদপ্তর কর্তৃক বেতন-ভাতা বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে। অধিদপ্তরের চিঠির আলোকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাউবোর নীলফামারী উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বাদী হয়ে জলঢাকা থানায় শুক্র ও শনিবার পৃথক দুটি মামলা করেন। এতে ১৯ ও ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৬৯১ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঘন কুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনায় টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মবহির্ভূতভাবে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গারা পাচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব।
৭ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় নেওয়া ১৮টি প্রকল্পের বিল এক মাস আগে স্বাক্ষর হলেও এখন পর্যন্ত টাকা পাননি প্রকল্পের সভাপতিরা। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) দপ্তর বিলে স্বাক্ষর করিয়ে টাকা আটকে রেখে সভাপতিদের ঘুরাচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে